বিদ্যালয়ে ধর্ম শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যে নতুন নীতিমালা ঘোষণা করলো সরকার
- Update Time : ১০:০৭:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ১১৪ Time View

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অস্পষ্টতা দূর করতে সরকার নতুন এমপিও নীতিমালায় ধর্ম শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা যুক্ত করেছে। এই নীতিমালার মাধ্যমে কোন পরিস্থিতিতে ধর্ম শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাবে এবং কোন সংখ্যক শিক্ষার্থীর বিপরীতে কতজন শিক্ষক প্রয়োজন হবে—তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নীতিমালার নির্দেশনা অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট একটি ধর্মের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০ জন বা তার বেশি হলে সেই ধর্মের জন্য একজন ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ থাকবে। এর মাধ্যমে বিদ্যালয়ে ধর্মভিত্তিক শিক্ষার ধারাবাহিকতা, শিক্ষার্থীদের চাহিদা এবং শিক্ষক সংকট দূর করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে এই নীতিমালা কার্যকর করা হয়। নীতিমালার ১১ নম্বর ধারার ২১ উপধারায় ধর্ম শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত এই নির্দেশনা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতে, এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে যে অনিশ্চয়তা ছিল, তা দূর হবে এবং বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম আরও শৃঙ্খলিত হবে।
এছাড়া নীতিমালার ১১.১৯ ধারায় বেসরকারি স্কুল ও কলেজে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার নতুন মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সমগ্র শিক্ষাজীবনে একজন আবেদনকারীর একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি/জিপিএ/সিজিপিএ বা সমমান গ্রহণযোগ্য হবে না। অর্থাৎ, যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে এই নতুন নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নীতিমালা কার্যকর হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের স্বচ্ছতা বাড়বে এবং ধর্মীয় শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী শিক্ষকসংখ্যা নির্ধারণ করা সহজ হবে। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের যোগ্যতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
















