Advertisement
সময়: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগ: মতিঝিল আইডিয়ালের ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১১:৫৯:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৬ Time View

 

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া ও জাল বিএড সনদ ব্যবহার করে চাকরিতে থাকার অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের আগামী ১ অক্টোবর অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের কাছে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠায় দুদক। সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষর করা ওই চিঠিতে ২৩ শিক্ষকের বক্তব্য গ্রহণের পাশাপাশি তাদের বিএড সনদের সত্যতা যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত দিনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিএড সনদের মূল কপি, একটি ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হতে হবে। কোনো শিক্ষক অনিবার্য কারণে উপস্থিত হতে না পারলে তার মূল বিএড সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অধ্যক্ষের কাছে জমা রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।

দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে জাল বা ভুয়া সনদ ব্যবহার করে শিক্ষক হিসেবে চাকরি করার অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের স্বার্থে তালিকাভুক্ত শিক্ষকদের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তাদের নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে যেসব বিএড সনদ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলো দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখা থেকে নেওয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সত্যতা অনুসন্ধান ও যাচাই শেষে নির্ধারিত হবে।

দুদকের তলব করা ২৩ শিক্ষক হলেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সোলায়মান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নূরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমিন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন এবং এন এম মঞ্জুরুল হক।

দুদকের এই পদক্ষেপের ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিএড সনদের বৈধতা, সনদ সংগ্রহের প্রক্রিয়া এবং এসব সনদের ভিত্তিতে চাকরিতে যোগদানের বিষয়গুলো আরও যাচাইয়ের আওতায় আসছে। অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের সত্যতা ও সংশ্লিষ্টদের দায় সম্পর্কে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগ: মতিঝিল আইডিয়ালের ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

Update Time : ১১:৫৯:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া ও জাল বিএড সনদ ব্যবহার করে চাকরিতে থাকার অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের আগামী ১ অক্টোবর অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের কাছে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠায় দুদক। সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষর করা ওই চিঠিতে ২৩ শিক্ষকের বক্তব্য গ্রহণের পাশাপাশি তাদের বিএড সনদের সত্যতা যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত দিনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিএড সনদের মূল কপি, একটি ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হতে হবে। কোনো শিক্ষক অনিবার্য কারণে উপস্থিত হতে না পারলে তার মূল বিএড সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অধ্যক্ষের কাছে জমা রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।

দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে জাল বা ভুয়া সনদ ব্যবহার করে শিক্ষক হিসেবে চাকরি করার অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানের স্বার্থে তালিকাভুক্ত শিক্ষকদের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তাদের নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে যেসব বিএড সনদ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলো দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখা থেকে নেওয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সত্যতা অনুসন্ধান ও যাচাই শেষে নির্ধারিত হবে।

দুদকের তলব করা ২৩ শিক্ষক হলেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সোলায়মান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নূরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমিন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন এবং এন এম মঞ্জুরুল হক।

দুদকের এই পদক্ষেপের ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিএড সনদের বৈধতা, সনদ সংগ্রহের প্রক্রিয়া এবং এসব সনদের ভিত্তিতে চাকরিতে যোগদানের বিষয়গুলো আরও যাচাইয়ের আওতায় আসছে। অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের সত্যতা ও সংশ্লিষ্টদের দায় সম্পর্কে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।