অক্টোবরে শেষ হতে পারে জিয়াউল আহসানের মামলার যুক্তিতর্ক
- Update Time : ১২:০৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫২ Time View

শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক কার্যক্রম আগামী অক্টোবরের মধ্যে শেষ হতে পারে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। স্বাভাবিক গতিতে কার্যক্রম এগোলে অক্টোবরের মধ্যেই উভয় পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মামলার ১৩তম সাক্ষী মেজর (অব.) সাব্বির রহমান ওসমানীর জেরা শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। তিনি জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১৫তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিতে পারেন। তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে আসামিপক্ষ তাদের পক্ষে সাক্ষী হাজির করার সুযোগ পাবে। এরই মধ্যে আসামিপক্ষ দুজন সাক্ষীর নাম জমা দিয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, মামলায় বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষদর্শী ও অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, এসব প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগগুলো প্রতিষ্ঠার মতো উপাদান তারা পেয়েছেন। মামলায় ১০৪ জন ভুক্তভোগীর বিষয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রপক্ষ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেছে বলেও তিনি জানান।
আসামিপক্ষের বক্তব্য
রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্যের পর জিয়াউল আহসানের আইনজীবী ও বোন নাজনীন নাহার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি প্রসিকিউশনের দাবির বিরোধিতা করে বলেন, অভিযোগ প্রমাণের মতো সাক্ষ্য তারা উপস্থাপন করতে পারেনি।
নাজনীন নাহারের দাবি, জিয়াউল আহসানকে নির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তার অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর জিয়াউল আহসানের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল যেন তিনি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে জবানবন্দি দেন। তিনি তাতে রাজি না হওয়ায় প্রসিকিউশন বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি বলে দাবি করেন।
তবে এসব বক্তব্য আসামিপক্ষের দাবি হিসেবে এসেছে; মামলার চূড়ান্ত বিচারিক মূল্যায়ন ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
যুক্তিতর্ক শেষ হলে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ হতে পারে। তবে রায় ঘোষণার নির্দিষ্ট সময়সূচি আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়।




















