সৌদিতে হুথিদের হামলায় মসজিদসহ বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, আহত ২
- Update Time : ১১:১৬:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৪৭ Time View

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি আরবের জিজান প্রদেশে একটি মসজিদসহ বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, ইয়েমেন সীমান্তসংলগ্ন জিজান প্রদেশের আল-তুয়াল জেলায় একটি মিসাইল বা ড্রোন আঘাত হানার পর এ ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
মসজিদ ও ঘরবাড়িতে ক্ষয়ক্ষতি
সৌদি সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, জিজান প্রদেশের আল-তুয়াল এলাকায় হামলায় একটি মসজিদ, বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন এবং কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলায় দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র বেসামরিক অবকাঠামোতে হুথিদের এ ধরনের হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি হুথিদের
এদিকে হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তবে এ হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত মঙ্গলবার সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় হুথিদের বড় ধরনের হামলার খবর পাওয়া যায়। আবহা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরানকে লক্ষ্য করে চালানো ওই হামলায় নারী ও শিশুসহ ৭৩ জন আহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়েমেনে সংঘাতের নতুন উত্তেজনা
হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যকার সংঘাতের পাশাপাশি ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধও নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার লক্ষ্যে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। কয়েক দিনের মধ্যে তারা সরকারি বাহিনীর কাছ থেকে কয়েকশ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা দখল করে নেয় বলে দাবি করা হয়েছে।
এর ফলে ইয়েমেন সরকার লোহিত সাগরের উপকূলীয় নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে এসব সামরিক অগ্রগতি ও নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
শত শত মানুষের হতাহত ও বাস্তুচ্যুতি
অভিযানকে কেন্দ্র করে পাঁচশর বেশি মানুষ নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সংঘাতের কারণে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, বসতবাড়ি এবং গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে মসজিদ ও আবাসিক এলাকায় হামলার ঘটনা স্থানীয় জনগণের জন্য আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি ভেঙে ফের সংঘাত
হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়। এরপর কয়েক বছর ওই অঞ্চলে তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি বজায় ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে। সামরিক হামলার পাশাপাশি বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
সৌদিতে হুথিদের হামলায় মসজিদসহ বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, আহত ২
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় সৌদি আরবের জিজান প্রদেশে একটি মসজিদসহ বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, ইয়েমেন সীমান্তসংলগ্ন জিজান প্রদেশের আল-তুয়াল জেলায় একটি মিসাইল বা ড্রোন আঘাত হানার পর এ ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
মসজিদ ও ঘরবাড়িতে ক্ষয়ক্ষতি
সৌদি সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, জিজান প্রদেশের আল-তুয়াল এলাকায় হামলায় একটি মসজিদ, বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন এবং কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলায় দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র বেসামরিক অবকাঠামোতে হুথিদের এ ধরনের হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি হুথিদের
এদিকে হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তবে এ হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত মঙ্গলবার সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় হুথিদের বড় ধরনের হামলার খবর পাওয়া যায়। আবহা, খামিস মুশাইত, জিজান ও নাজরানকে লক্ষ্য করে চালানো ওই হামলায় নারী ও শিশুসহ ৭৩ জন আহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়েমেনে সংঘাতের নতুন উত্তেজনা
হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যকার সংঘাতের পাশাপাশি ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধও নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার লক্ষ্যে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। কয়েক দিনের মধ্যে তারা সরকারি বাহিনীর কাছ থেকে কয়েকশ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা দখল করে নেয় বলে দাবি করা হয়েছে।
এর ফলে ইয়েমেন সরকার লোহিত সাগরের উপকূলীয় নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে এসব সামরিক অগ্রগতি ও নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
শত শত মানুষের হতাহত ও বাস্তুচ্যুতি
অভিযানকে কেন্দ্র করে পাঁচশর বেশি মানুষ নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সংঘাতের কারণে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, বসতবাড়ি এবং গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে মসজিদ ও আবাসিক এলাকায় হামলার ঘটনা স্থানীয় জনগণের জন্য আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি ভেঙে ফের সংঘাত
হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়। এরপর কয়েক বছর ওই অঞ্চলে তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি বজায় ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে। সামরিক হামলার পাশাপাশি বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা















