Advertisement
সময়: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এআই কি সত্যিই মানুষকে মেরে ফেলতে পারে? অ্যানথ্রপিক প্রধানের বক্তব্যে নতুন শঙ্কা

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১১:২৯:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪৪ Time View
অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী ডারিও অ্যামোডেই (রয়টার্স)

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন নিয়ে সতর্কবার্তা, নিরাপত্তায় আরও সময় চান ডারিও অ্যামোডেই

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কি একদিন মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে? প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে এমন প্রশ্নও ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। এবার এআইয়ের সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে নতুন করে সতর্ক করেছেন অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী ডারিও অ্যামোডেই। তাঁর মতে, এআইয়ের উন্নয়নের গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করে প্রযুক্তিটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন।

সিএনএনের সাংবাদিক অ্যান্ডারসন কুপারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অ্যামোডেইকে প্রশ্ন করা হয়, এআই কি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে? জবাবে তিনি অ্যানথ্রপিকের সাবেক গবেষক জ্যাকব কক্সনের উদ্বেগের সঙ্গে দ্বিমত পোষণের চেয়ে বেশি একমত হওয়ার কথা জানান।

কক্সন সম্প্রতি অ্যানথ্রপিকের চাকরি ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, উন্নত এআই তৈরি করা ব্যক্তিদের অনেকেই মনে করেন, চলতি দশকের শেষ নাগাদ এই প্রযুক্তি মানবজাতির জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠতে পারে। তাঁর ওই পোস্টটি ১৫ কোটির বেশি বার দেখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এআইয়ের ঝুঁকি কতটা?

এআই মানুষের জন্য কত শতাংশ বিপদ তৈরি করতে পারে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা দেওয়ার চেয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো কীভাবে তৈরি হচ্ছে, সেটিকে বেশি গুরুত্ব দিতে চান অ্যামোডেই।

তিনি বলেন, সবকিছু নির্ভর করবে মানুষ ও প্রতিষ্ঠানগুলো কোন পথে এগোচ্ছে তার ওপর। সঠিক পথে এগোলে বিপদের সম্ভাবনা খুব কম রাখা সম্ভব। কিন্তু ভুল পথে এগোলে সেই ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে।

অ্যামোডেইর বক্তব্য অনুযায়ী, এআইয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জরুরি। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, উন্নয়নের গতি একেবারে কমিয়ে দিলেও নতুন ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। কারণ এতে প্রযুক্তিটির নিয়ন্ত্রণ ভুল ব্যক্তিদের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়তে পারে।

কেন এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমানোর কথা বলছেন?

সম্প্রতি নিজের একটি ব্লগ পোস্টেও এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেন অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী। তাঁর মতে, এআই মানবজাতির জন্য অনেক সুফল বয়ে আনতে পারে। তবে একই সঙ্গে এটি অত্যন্ত শক্তিশালী প্রযুক্তি হওয়ায় এর অপব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিও গুরুতর।

অ্যামোডেই যেসব সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেছেন, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতের বাইরে চলে যাওয়া।
  • সাইবার হামলায় এআইয়ের অপব্যবহার।
  • জৈব সন্ত্রাসে প্রযুক্তিটির ব্যবহার।
  • বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয়।
  • প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে নিরাপত্তা উপেক্ষিত হওয়া।

তাঁর মতে, এআই মডেলের সক্ষমতা বাড়ানোর গতি কিছুটা কমানো হলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত সময় পাওয়া যাবে। এতে প্রযুক্তির উন্নয়ন বন্ধ হবে না; বরং নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হবে।

অ্যামোডেইর পাশে অল্টম্যান মাস্ক

অ্যানথ্রপিক প্রধানের এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান। শনিবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এআইয়ের উন্নয়নের গতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে অ্যামোডেইর সঙ্গে একমত হওয়ার কথা জানান।

অল্টম্যান বলেন, ওপেনএআইও সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে আলোচনা করছে। স্বাধীন মূল্যায়নকারীদের এআই মডেল পর্যালোচনার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাবের প্রতিও তিনি সমর্থন জানিয়েছেন। ওপেনএআই একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলেও জানান তিনি।

টেসলা ও এক্সএআইয়ের প্রধান ইলন মাস্কও অ্যামোডেইর বক্তব্যের সমর্থনে সংক্ষেপে লেখেন, ‘ডারিও ঠিক বলেছেন।’

অন্যদিকে, ফোরচুনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অল্টম্যান বলেন, এআইয়ের নিরাপত্তা এবং মানুষের স্বার্থের সঙ্গে প্রযুক্তিটির সামঞ্জস্য নিশ্চিত করাই এখন বড় বিষয়। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সরকারগুলোকেও একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকেও সতর্কবার্তা

এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। তিনি দেশগুলোর প্রতি শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এআইয়ের দ্রুত বিকাশ বিশ্বব্যাপী নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি নানা নৈতিক, সামাজিক ও নিরাপত্তাজনিত প্রশ্ন তৈরি করছে। প্রযুক্তিটি মানুষের জীবনকে সহজ করতে পারে, আবার এর অপব্যবহার গুরুতর ক্ষতির কারণও হতে পারে।

মানবজাতির জন্য ভবিষ্যৎ কী?

এআই সত্যিই একদিন মানুষকে হত্যা করতে পারে কি না, তা নিয়ে এখনো নানা মত রয়েছে। তবে প্রযুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে।

এআইয়ের উন্নয়ন থামিয়ে দেওয়া নয়, বরং এর ব্যবহারকে নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার বিষয়টিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে যদি নৈতিকতা, জবাবদিহি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তাহলে এআই মানবজাতির জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে, নিরাপত্তা উপেক্ষা করে শুধু প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: সিএনএন, এনডিটিভি

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

এআই কি সত্যিই মানুষকে মেরে ফেলতে পারে? অ্যানথ্রপিক প্রধানের বক্তব্যে নতুন শঙ্কা

Update Time : ১১:২৯:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী ডারিও অ্যামোডেই (রয়টার্স)

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন নিয়ে সতর্কবার্তা, নিরাপত্তায় আরও সময় চান ডারিও অ্যামোডেই

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কি একদিন মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে? প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে এমন প্রশ্নও ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। এবার এআইয়ের সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে নতুন করে সতর্ক করেছেন অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী ডারিও অ্যামোডেই। তাঁর মতে, এআইয়ের উন্নয়নের গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করে প্রযুক্তিটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন।

সিএনএনের সাংবাদিক অ্যান্ডারসন কুপারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অ্যামোডেইকে প্রশ্ন করা হয়, এআই কি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে? জবাবে তিনি অ্যানথ্রপিকের সাবেক গবেষক জ্যাকব কক্সনের উদ্বেগের সঙ্গে দ্বিমত পোষণের চেয়ে বেশি একমত হওয়ার কথা জানান।

কক্সন সম্প্রতি অ্যানথ্রপিকের চাকরি ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, উন্নত এআই তৈরি করা ব্যক্তিদের অনেকেই মনে করেন, চলতি দশকের শেষ নাগাদ এই প্রযুক্তি মানবজাতির জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠতে পারে। তাঁর ওই পোস্টটি ১৫ কোটির বেশি বার দেখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এআইয়ের ঝুঁকি কতটা?

এআই মানুষের জন্য কত শতাংশ বিপদ তৈরি করতে পারে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা দেওয়ার চেয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো কীভাবে তৈরি হচ্ছে, সেটিকে বেশি গুরুত্ব দিতে চান অ্যামোডেই।

তিনি বলেন, সবকিছু নির্ভর করবে মানুষ ও প্রতিষ্ঠানগুলো কোন পথে এগোচ্ছে তার ওপর। সঠিক পথে এগোলে বিপদের সম্ভাবনা খুব কম রাখা সম্ভব। কিন্তু ভুল পথে এগোলে সেই ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে।

অ্যামোডেইর বক্তব্য অনুযায়ী, এআইয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জরুরি। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, উন্নয়নের গতি একেবারে কমিয়ে দিলেও নতুন ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। কারণ এতে প্রযুক্তিটির নিয়ন্ত্রণ ভুল ব্যক্তিদের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়তে পারে।

কেন এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমানোর কথা বলছেন?

সম্প্রতি নিজের একটি ব্লগ পোস্টেও এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেন অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী। তাঁর মতে, এআই মানবজাতির জন্য অনেক সুফল বয়ে আনতে পারে। তবে একই সঙ্গে এটি অত্যন্ত শক্তিশালী প্রযুক্তি হওয়ায় এর অপব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিও গুরুতর।

অ্যামোডেই যেসব সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেছেন, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • এআইয়ের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতের বাইরে চলে যাওয়া।
  • সাইবার হামলায় এআইয়ের অপব্যবহার।
  • জৈব সন্ত্রাসে প্রযুক্তিটির ব্যবহার।
  • বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয়।
  • প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে নিরাপত্তা উপেক্ষিত হওয়া।

তাঁর মতে, এআই মডেলের সক্ষমতা বাড়ানোর গতি কিছুটা কমানো হলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত সময় পাওয়া যাবে। এতে প্রযুক্তির উন্নয়ন বন্ধ হবে না; বরং নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হবে।

অ্যামোডেইর পাশে অল্টম্যান মাস্ক

অ্যানথ্রপিক প্রধানের এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান। শনিবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এআইয়ের উন্নয়নের গতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে অ্যামোডেইর সঙ্গে একমত হওয়ার কথা জানান।

অল্টম্যান বলেন, ওপেনএআইও সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে আলোচনা করছে। স্বাধীন মূল্যায়নকারীদের এআই মডেল পর্যালোচনার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাবের প্রতিও তিনি সমর্থন জানিয়েছেন। ওপেনএআই একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলেও জানান তিনি।

টেসলা ও এক্সএআইয়ের প্রধান ইলন মাস্কও অ্যামোডেইর বক্তব্যের সমর্থনে সংক্ষেপে লেখেন, ‘ডারিও ঠিক বলেছেন।’

অন্যদিকে, ফোরচুনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অল্টম্যান বলেন, এআইয়ের নিরাপত্তা এবং মানুষের স্বার্থের সঙ্গে প্রযুক্তিটির সামঞ্জস্য নিশ্চিত করাই এখন বড় বিষয়। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সরকারগুলোকেও একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকেও সতর্কবার্তা

এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। তিনি দেশগুলোর প্রতি শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এআইয়ের দ্রুত বিকাশ বিশ্বব্যাপী নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি নানা নৈতিক, সামাজিক ও নিরাপত্তাজনিত প্রশ্ন তৈরি করছে। প্রযুক্তিটি মানুষের জীবনকে সহজ করতে পারে, আবার এর অপব্যবহার গুরুতর ক্ষতির কারণও হতে পারে।

মানবজাতির জন্য ভবিষ্যৎ কী?

এআই সত্যিই একদিন মানুষকে হত্যা করতে পারে কি না, তা নিয়ে এখনো নানা মত রয়েছে। তবে প্রযুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে।

এআইয়ের উন্নয়ন থামিয়ে দেওয়া নয়, বরং এর ব্যবহারকে নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও মানবকল্যাণমুখী করার বিষয়টিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে যদি নৈতিকতা, জবাবদিহি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তাহলে এআই মানবজাতির জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে, নিরাপত্তা উপেক্ষা করে শুধু প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: সিএনএন, এনডিটিভি