সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ও গ্রেপ্তার: সম্পাদক পরিষদের তীব্র নিন্দা
- Update Time : ১০:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ১৫১ Time View

সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ডিবি কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের এবং পরে গ্রেপ্তার দেখানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। সংগঠনটির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী এবং এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের একটি ভয়ংকর দৃষ্টান্ত।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবির এবং সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে এই নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা লিখিত নোটিশ ছাড়াই সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার পর পরদিন তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সম্পাদক পরিষদের মতে, এই পুরো প্রক্রিয়া আইনসম্মত ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি অতীতের স্বৈরাচারী শাসনামলে সাংবাদিকদের ওপর চালানো রাষ্ট্রীয় দমন–পীড়নের ভয়াবহ স্মৃতি নতুন করে উসকে দেয়।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি অতীতেও ঘটেছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা, হয়রানি এবং নির্বিচার গ্রেপ্তার ছিল নিয়মিত ঘটনা। সম্পাদক পরিষদের মতে, বর্তমান ঘটনাটি সেই দুঃখজনক বাস্তবতারই পুনরাবৃত্তি, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
সম্পাদক পরিষদ জানায়, তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং স্পষ্টভাবে বলতে চায়—কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যদি প্রকৃত ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন, ন্যায়বিচার এবং স্বচ্ছ তদন্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগ ছাড়াই ডিবি কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া, সেখানে আটকে রাখা এবং পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মতো গুরুতর আইনে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি আইনশাসনের ধারণাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা ও অন্যান্য গুরুতর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় অভিযুক্ত অনেক সাংবাদিক এখনো কারাগারে রয়েছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে সম্পাদক পরিষদ আগেও তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছে এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
এছাড়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে আইন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা ও হয়রানির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। মামলাগুলো প্রত্যাহার না হওয়ায় সাংবাদিক সমাজে হতাশা ও আতঙ্ক বাড়ছে বলে সম্পাদক পরিষদ মনে করে।
বিবৃতির শেষাংশে সম্পাদক পরিষদ জানায়, এ ধরনের আচরণ স্বাধীন মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। এটি অতীতের স্বৈরাচারী শাসনামলের সাংবাদিক নিপীড়নেরই প্রতিচ্ছবি। সম্পাদক পরিষদ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ভিত্তিহীন মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানায় এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানায়।
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ও গ্রেপ্তার: সম্পাদক পরিষদের তীব্র নিন্দা
সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ডিবি কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের এবং পরে গ্রেপ্তার দেখানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। সংগঠনটির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী এবং এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের একটি ভয়ংকর দৃষ্টান্ত।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবির এবং সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে এই নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা লিখিত নোটিশ ছাড়াই সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার পর পরদিন তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সম্পাদক পরিষদের মতে, এই পুরো প্রক্রিয়া আইনসম্মত ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি অতীতের স্বৈরাচারী শাসনামলে সাংবাদিকদের ওপর চালানো রাষ্ট্রীয় দমন–পীড়নের ভয়াবহ স্মৃতি নতুন করে উসকে দেয়।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি অতীতেও ঘটেছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা, হয়রানি এবং নির্বিচার গ্রেপ্তার ছিল নিয়মিত ঘটনা। সম্পাদক পরিষদের মতে, বর্তমান ঘটনাটি সেই দুঃখজনক বাস্তবতারই পুনরাবৃত্তি, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
সম্পাদক পরিষদ জানায়, তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং স্পষ্টভাবে বলতে চায়—কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যদি প্রকৃত ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন, ন্যায়বিচার এবং স্বচ্ছ তদন্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগ ছাড়াই ডিবি কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া, সেখানে আটকে রাখা এবং পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মতো গুরুতর আইনে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি আইনশাসনের ধারণাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা ও অন্যান্য গুরুতর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় অভিযুক্ত অনেক সাংবাদিক এখনো কারাগারে রয়েছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে সম্পাদক পরিষদ আগেও তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছে এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
এছাড়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে আইন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা ও হয়রানির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। মামলাগুলো প্রত্যাহার না হওয়ায় সাংবাদিক সমাজে হতাশা ও আতঙ্ক বাড়ছে বলে সম্পাদক পরিষদ মনে করে।
বিবৃতির শেষাংশে সম্পাদক পরিষদ জানায়, এ ধরনের আচরণ স্বাধীন মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। এটি অতীতের স্বৈরাচারী শাসনামলের সাংবাদিক নিপীড়নেরই প্রতিচ্ছবি। সম্পাদক পরিষদ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব ভিত্তিহীন মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানায় এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানায়।














