গাজীপুরে মায়ের গলাকাটা মরদেহ, গুরুতর আহত বাবা—১৬ বছরের মেয়ে পুলিশ হেফাজতে
- Update Time : ১১:০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৪৫ Time View

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার একটি বাসা থেকে গলাকাটা অবস্থায় রহিমা বেগম (৩৮) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই স্থান থেকে তার স্বামী ইমরান হোসেনকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনার পর দম্পতির ১৬ বছরের মেয়েকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিহত রহিমা বেগম সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিনোয়াটি গ্রামের শাজাহান সরকারের মেয়ে। আহত ইমরান হোসেন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার আমতৈল গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে। তারা পরিবারসহ ভবনের পাঁচতলার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। ইমরান স্থানীয়ভাবে মাংস বিক্রির কাজ করতেন, আর স্ত্রী গৃহিণী ছিলেন।
শনিবার সকালে পুলিশ খবর পায়, স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। কোনাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, রহিমা বেগমের নিথর দেহ মেঝেতে পড়ে আছে এবং তার স্বামী ইমরান অর্ধগলাকাটা অবস্থায় কষ্টে হাত নাড়াচ্ছেন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় দম্পতির কিশোরী মেয়েকে সন্দেহভাজন হিসেবে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। কোনাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, “মেয়ে দাবি করেছে, তার বাবা প্রথমে মাকে হত্যা করেন, এরপর নিজেই নিজের গলা কাটেন। সে নাকি ঘটনাটি দেখেছে। তবে তার বক্তব্য আমাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে। তাই সত্য উদ্ঘাটনের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।”
নিহত রহিমার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত ইমরানের চিকিৎসা চলছে একই হাসপাতালে। ঘটনাটির কারণ ও পেছনের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।












