আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: পাইপ হাতে, মাথায় হেলমেট পরে ঘটনাস্থলে যুবদল নেতা নয়ন
- Update Time : ০৭:২৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
- / ৮৪ Time View

সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত নয়নকে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে এবং তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করতেও দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করছেন না কেন? সামনে যান, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।” তবে এ বক্তব্যের বিষয়ে তার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়ন
রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তার ও আবাসিক হলের সিট নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা ও এর আশপাশের এলাকায়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের সামনে দুই ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের কয়েকজনকে দেশীয় অস্ত্র হাতে দেখা যায়। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে মোতায়েন হন। তবে সংঘর্ষ থামাতে তাদের বেশ বেগ পেতে হয় এবং দীর্ঘ সময় এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করে।
সংঘর্ষের সময় ছাত্রদলের পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। এ সময় কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়নকে মাথায় হেলমেট ও হাতে একটি পাইপ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত নয়নকে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে এবং তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করতেও দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করছেন না কেন? সামনে যান, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।” তবে এ বক্তব্যের বিষয়ে তার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে একই দিনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসেও ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ধারাবাহিক এসব সংঘর্ষে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে উদ্বেগ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।









