সময়: রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা: কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের আলোচনায় যারা

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৩:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৬৬ Time View
মারদিয়া মমতাজ, নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, সাবিকুন্নাহার মুন্নী ও ডা. আমেনা বেগম (বাম থেকে)। ছ‌বি: সংগৃহীত

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করছে। সরাসরি নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদের প্রথম অধিবেশন ১০-১২ তারিখের মধ্যে শুরু হওয়ার কথা।

জাতীয় সংসদে মোট ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ছয়জন সাধারণ সংসদ সদস্যের বিপরীতে একটি নারী আসন বরাদ্দ হবে। ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হওয়ায় তারা ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি আসন পাবে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ১টি আসন দখল করবে। বাকি ৩টি আসন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ছোট দলগুলোর মধ্যে ভাগ হবে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগ প্রার্থী নির্বাচনের প্রাথমিক তালিকা তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও অন্যান্য পেশাজীবীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা নির্ধারণে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে আলোচনা হবে। আলোচনায় যারা রয়েছেন, তারা হলেন:

  • কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা
  • আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন্নাহার মুন্নী
  • সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আমিনা বেগম
  • কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্যা ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট
  • সম্মিলিত নারী প্রয়াসের সেক্রেটারি ডা. ফেরদৌস আরা খানম
  • ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন
  • ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মারদিয়া মমতাজ

প্রাথমিক তালিকায় তরুণ ও কথাবার্তায় দক্ষ প্রার্থীর নামও যুক্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি, কিছু ক্ষেত্রে বিগত সরকারের সময়ে বিতর্কিত বিচারে ফাঁসির মুখে পড়া জামায়াত নেতাদের পরিবারের সদস্যরাও আলোচনায় আনা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপিকা নূরুন্নিসা সিদ্দিকা জানিয়েছেন, প্রাথমিক পরামর্শ তালিকা তৈরি হয়েছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের আলোচনার মাধ্যমে নেওয়া হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা: কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের আলোচনায় যারা

Update Time : ০৩:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মারদিয়া মমতাজ, নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, সাবিকুন্নাহার মুন্নী ও ডা. আমেনা বেগম (বাম থেকে)। ছ‌বি: সংগৃহীত

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করছে। সরাসরি নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদের প্রথম অধিবেশন ১০-১২ তারিখের মধ্যে শুরু হওয়ার কথা।

জাতীয় সংসদে মোট ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ছয়জন সাধারণ সংসদ সদস্যের বিপরীতে একটি নারী আসন বরাদ্দ হবে। ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হওয়ায় তারা ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি আসন পাবে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ১টি আসন দখল করবে। বাকি ৩টি আসন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ছোট দলগুলোর মধ্যে ভাগ হবে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগ প্রার্থী নির্বাচনের প্রাথমিক তালিকা তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও অন্যান্য পেশাজীবীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা নির্ধারণে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে আলোচনা হবে। আলোচনায় যারা রয়েছেন, তারা হলেন:

  • কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা
  • আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন্নাহার মুন্নী
  • সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আমিনা বেগম
  • কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্যা ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট
  • সম্মিলিত নারী প্রয়াসের সেক্রেটারি ডা. ফেরদৌস আরা খানম
  • ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন
  • ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মারদিয়া মমতাজ

প্রাথমিক তালিকায় তরুণ ও কথাবার্তায় দক্ষ প্রার্থীর নামও যুক্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি, কিছু ক্ষেত্রে বিগত সরকারের সময়ে বিতর্কিত বিচারে ফাঁসির মুখে পড়া জামায়াত নেতাদের পরিবারের সদস্যরাও আলোচনায় আনা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপিকা নূরুন্নিসা সিদ্দিকা জানিয়েছেন, প্রাথমিক পরামর্শ তালিকা তৈরি হয়েছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের আলোচনার মাধ্যমে নেওয়া হবে।