সময়: শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইডিআরএর চেয়ারম্যান বদলায়, কিন্তু ফারইস্টের  গ্রাহক ম্যাচুরিটির টাকা পান না

বিল্লাল হোসেন
  • Update Time : ০৬:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • / ২২৬ Time View
আইডিআরএ চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেলেন নাদিয়া নিভিন

 

বাংলাদেশের বীমা খাত দীর্ঘদিন ধরেই গভীর আস্থার সংকটে ভুগছে। একের পর এক চেয়ারম্যান পরিবর্তন হচ্ছে, নতুন নতুন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, বীমা খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সাধারণ পলিসিধারীদের দুর্ভোগের কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটছে না। বিশেষ করে মেয়াদপূর্তির (ম্যাচুরিটি) দাবি পরিশোধের ক্ষেত্রে হাজার হাজার গ্রাহক বছরের পর বছর অপেক্ষা করেও তাদের প্রাপ্য অর্থ হাতে পাচ্ছেন না।

দেশের বেশ কয়েকটি বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা মেয়াদপূর্তির টাকা পরিশোধে চরম গড়িমসি করছে। বিশেষ করে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সসহ কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, বহু পলিসিধারী চার থেকে পাঁচ বছর ধরে তাদের প্রাপ্য ম্যাচুরিটি ক্লেইমের টাকা পাননি। অনেকেই অবসর জীবনের নিরাপত্তা, সন্তানের উচ্চশিক্ষা, মেয়ের বিয়ে কিংবা জরুরি পারিবারিক প্রয়োজনের কথা ভেবে বছরের পর বছর কষ্টার্জিত অর্থ বীমায় বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে সেই অর্থ ফেরত না পেয়ে তারা আজ চরম আর্থিক সংকট, হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, জাতীয় সংসদ, বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী ফোরাম কিংবা বীমা খাত সংস্কার নিয়ে আলোচনায় সাধারণ মানুষের আটকে থাকা হাজার হাজার কোটি টাকার ম্যাচুরিটি ক্লেইমের বিষয়টি খুব কমই গুরুত্ব পায়। পলিসিধারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা, তাদের কান্না এবং মানবিক বিপর্যয়ের গল্প যেন নীতিনির্ধারকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে কখনোই স্থান পায় না।

সম্প্রতি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)-এর চেয়ারম্যান পরিবর্তন হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত বকেয়া ম্যাচুরিটি ক্লেইম ও অন্যান্য দাবির অর্থ দ্রুত পরিশোধ নিশ্চিত করার জন্য কোনো দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপ বা সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা সাধারণ মানুষের সামনে আসেনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—নতুন চেয়ারম্যানের অগ্রাধিকার কী? তিনি কি কেবল প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনেই সীমাবদ্ধ থাকবেন, নাকি বীমা খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে গ্রাহকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন?

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান নিজেও একজন সাবেক সংসদ সদস্য। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের কষ্ট ও দুর্ভোগ সম্পর্কে তাঁর উপলব্ধি থাকার কথা। তাহলে হাজার হাজার পলিসিধারীর প্রাপ্য অর্থ পরিশোধে কার্যকর উদ্যোগ কেন দৃশ্যমান নয়? কেন মানুষকে বছরের পর বছর তাদের বৈধ পাওনা আদায়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে?

বীমা মূলত আস্থার ব্যবসা। মানুষ ভবিষ্যতের নিরাপত্তার কথা ভেবে এবং পরিবারের সুরক্ষার আশায় কষ্টার্জিত অর্থ বীমা প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু যখন মেয়াদপূর্তির পরও সেই অর্থ ফেরত পাওয়া যায় না, তখন শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি নয়, পুরো বীমা শিল্পের প্রতিই মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে যায়। এর নেতিবাচক প্রভাব দেশের সঞ্চয় ব্যবস্থা, আর্থিক খাত এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপরও পড়ে।

আজ সাধারণ মানুষের মনে একটি কঠিন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—আইডিআরএ কি শুধু দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা, সভা-সেমিনার আয়োজন এবং বিভিন্ন ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে? নাকি এই প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত দায়িত্ব হলো বীমা গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা করা, অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং পলিসিধারীদের প্রাপ্য অর্থ নিশ্চিত করা?

যদি আইডিআরএ সত্যিই একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হয়ে থাকে, তাহলে এখনই কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। যেসব বীমা কোম্পানি বছরের পর বছর ম্যাচুরিটি ক্লেইম পরিশোধ করছে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশেষ নিরীক্ষা পরিচালনা, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ এবং প্রয়োজনে পুনর্গঠন বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। একই সঙ্গে বকেয়া দাবির অর্থ পরিশোধের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

বীমা খাতের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে শুধু চেয়ারম্যান বদলালেই হবে না; বদলাতে হবে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি, নিশ্চিত করতে হবে গ্রাহকের অধিকার এবং ফিরিয়ে দিতে হবে মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ। অন্যথায় জনগণের মনে এই প্রশ্ন আরও জোরালো হবে—আইডিআরএ কি সত্যিই জনগণের স্বার্থে কাজ করছে, নাকি এটি কেবল আরেকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, যেখানে সভা-সেমিনার, ঘোষণা এবং প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই দায়িত্ব সীমাবদ্ধ?

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিল্লাল হোসেন

বিল্লাল হোসেন, একজন প্রজ্ঞাবান পেশাজীবী, যিনি গণিতের ওপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ, ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি সমৃদ্ধ ও বহুমুখী ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন। তার আর্থিক খাতে যাত্রা তাকে নেতৃত্বের ভূমিকায় নিয়ে গেছে, বিশেষ করে সৌদি আরবের আল-রাজি ব্যাংকিং Inc. এবং ব্যাংক-আল-বিলাদে বিদেশী সম্পর্ক ও করেসপন্ডেন্ট মেইন্টেনেন্স অফিসার হিসেবে। প্রথাগত অর্থনীতির গণ্ডির বাইরে, বিল্লাল একজন প্রখ্যাত লেখক ও বিশ্লেষক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে মননশীল কলাম ও গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করে। তার দক্ষতা বিস্তৃত বিষয় জুড়ে রয়েছে, যেমন অর্থনীতির জটিলতা, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, প্রবাসী শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্ট, রেমিটেন্স, রিজার্ভ এবং অন্যান্য সম্পর্কিত দিক। বিল্লাল তার লেখায় একটি অনন্য বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসেন, যা ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে অর্জিত বাস্তব জ্ঞানকে একত্রিত করে একাডেমিক কঠোরতার সাথে। তার প্রবন্ধগুলো শুধুমাত্র জটিল বিষয়গুলির উপর গভীর বোঝাপড়ার প্রতিফলন নয়, বরং পাঠকদের জন্য জ্ঞানপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে, যা তত্ত্ব ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। বিল্লাল হোসেনের অবদান তার প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে যে, তিনি আমাদের আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বের জটিলতাগুলি উন্মোচন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের একটি বিস্তৃত এবং আরও সূক্ষ্ম বোঝাপড়ার দিকে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।

আইডিআরএর চেয়ারম্যান বদলায়, কিন্তু ফারইস্টের  গ্রাহক ম্যাচুরিটির টাকা পান না

Update Time : ০৬:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
আইডিআরএ চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেলেন নাদিয়া নিভিন

 

বাংলাদেশের বীমা খাত দীর্ঘদিন ধরেই গভীর আস্থার সংকটে ভুগছে। একের পর এক চেয়ারম্যান পরিবর্তন হচ্ছে, নতুন নতুন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, বীমা খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সাধারণ পলিসিধারীদের দুর্ভোগের কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটছে না। বিশেষ করে মেয়াদপূর্তির (ম্যাচুরিটি) দাবি পরিশোধের ক্ষেত্রে হাজার হাজার গ্রাহক বছরের পর বছর অপেক্ষা করেও তাদের প্রাপ্য অর্থ হাতে পাচ্ছেন না।

দেশের বেশ কয়েকটি বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা মেয়াদপূর্তির টাকা পরিশোধে চরম গড়িমসি করছে। বিশেষ করে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সসহ কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, বহু পলিসিধারী চার থেকে পাঁচ বছর ধরে তাদের প্রাপ্য ম্যাচুরিটি ক্লেইমের টাকা পাননি। অনেকেই অবসর জীবনের নিরাপত্তা, সন্তানের উচ্চশিক্ষা, মেয়ের বিয়ে কিংবা জরুরি পারিবারিক প্রয়োজনের কথা ভেবে বছরের পর বছর কষ্টার্জিত অর্থ বীমায় বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে সেই অর্থ ফেরত না পেয়ে তারা আজ চরম আর্থিক সংকট, হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, জাতীয় সংসদ, বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী ফোরাম কিংবা বীমা খাত সংস্কার নিয়ে আলোচনায় সাধারণ মানুষের আটকে থাকা হাজার হাজার কোটি টাকার ম্যাচুরিটি ক্লেইমের বিষয়টি খুব কমই গুরুত্ব পায়। পলিসিধারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা, তাদের কান্না এবং মানবিক বিপর্যয়ের গল্প যেন নীতিনির্ধারকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে কখনোই স্থান পায় না।

সম্প্রতি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)-এর চেয়ারম্যান পরিবর্তন হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত বকেয়া ম্যাচুরিটি ক্লেইম ও অন্যান্য দাবির অর্থ দ্রুত পরিশোধ নিশ্চিত করার জন্য কোনো দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপ বা সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা সাধারণ মানুষের সামনে আসেনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—নতুন চেয়ারম্যানের অগ্রাধিকার কী? তিনি কি কেবল প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনেই সীমাবদ্ধ থাকবেন, নাকি বীমা খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে গ্রাহকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন?

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান নিজেও একজন সাবেক সংসদ সদস্য। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের কষ্ট ও দুর্ভোগ সম্পর্কে তাঁর উপলব্ধি থাকার কথা। তাহলে হাজার হাজার পলিসিধারীর প্রাপ্য অর্থ পরিশোধে কার্যকর উদ্যোগ কেন দৃশ্যমান নয়? কেন মানুষকে বছরের পর বছর তাদের বৈধ পাওনা আদায়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে?

বীমা মূলত আস্থার ব্যবসা। মানুষ ভবিষ্যতের নিরাপত্তার কথা ভেবে এবং পরিবারের সুরক্ষার আশায় কষ্টার্জিত অর্থ বীমা প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু যখন মেয়াদপূর্তির পরও সেই অর্থ ফেরত পাওয়া যায় না, তখন শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি নয়, পুরো বীমা শিল্পের প্রতিই মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে যায়। এর নেতিবাচক প্রভাব দেশের সঞ্চয় ব্যবস্থা, আর্থিক খাত এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপরও পড়ে।

আজ সাধারণ মানুষের মনে একটি কঠিন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—আইডিআরএ কি শুধু দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা, সভা-সেমিনার আয়োজন এবং বিভিন্ন ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে? নাকি এই প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত দায়িত্ব হলো বীমা গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা করা, অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং পলিসিধারীদের প্রাপ্য অর্থ নিশ্চিত করা?

যদি আইডিআরএ সত্যিই একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হয়ে থাকে, তাহলে এখনই কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। যেসব বীমা কোম্পানি বছরের পর বছর ম্যাচুরিটি ক্লেইম পরিশোধ করছে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশেষ নিরীক্ষা পরিচালনা, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ এবং প্রয়োজনে পুনর্গঠন বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। একই সঙ্গে বকেয়া দাবির অর্থ পরিশোধের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

বীমা খাতের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে শুধু চেয়ারম্যান বদলালেই হবে না; বদলাতে হবে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি, নিশ্চিত করতে হবে গ্রাহকের অধিকার এবং ফিরিয়ে দিতে হবে মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ। অন্যথায় জনগণের মনে এই প্রশ্ন আরও জোরালো হবে—আইডিআরএ কি সত্যিই জনগণের স্বার্থে কাজ করছে, নাকি এটি কেবল আরেকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, যেখানে সভা-সেমিনার, ঘোষণা এবং প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই দায়িত্ব সীমাবদ্ধ?