ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত ‘নব্য ফ্যাসিজমের বাস্তবায়ন’: সাদিক কায়েম
- Update Time : ০৩:২৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১৬৭ Time View

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে ‘নব্য ফ্যাসিজমের বাস্তবায়ন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি প্রত্যাহারের পর এবার মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে আরেকটি ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা হলো। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কার ইশারায় এবং কার প্রভাবে নির্বাচন কমিশন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
পোস্টে সাদিক কায়েম উল্লেখ করেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার অর্থ হলো ভোটারদের মোবাইল ফোন ঘরে রেখে আসতে বাধ্য করা। এর ফলে কোনো মোবাইল সাংবাদিকতা বা সিটিজেন জার্নালিজম কার্যত নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। ভোটকেন্দ্র এলাকায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও ভুক্তভোগীর কাছেই তার কোনো তথ্য বা ভিডিও ফুটেজ থাকবে না—যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরও প্রশ্ন রাখেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর ভর করে এই নব্য ফ্যাসিবাদ জাতির ওপর কারা চাপিয়ে দিচ্ছে? কারা দেশের তরুণ সমাজকে ভয় পায়? কারা নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখতে চায়?
দেশের তরুণ ও যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, “আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে আওয়াজ তুলি। জুলাই আন্দোলন আপনাদের হাতেই হয়েছে, আর আপনাদের হাতেই নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব।”
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা বা নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য গঠিত হয়নি। ইসি গঠিত হয়েছে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য। তাই অনতিবিলম্বে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে বলে তিনি জোর দাবি জানান।
















