সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়াই তরুণদের দায়িত্ব: ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১২:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১১৮ Time View

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, তরুণদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়া এবং তা নিরাপদ রাখা। তিনি অভিযোগ করেন, “আজ দিল্লির তাবেদাররা ও পতিত ফ্যাসিস্টরা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সাদিক কায়েম বলেন, “আমাদের প্রতিটি ভোটকেন্দ্র আমাদের মা-বোনদের জন্য, আমাদের চাচা-ভাইদের জন্য নিরাপদ রাখতে হবে। আমরা কি পারব? ইনশাআল্লাহ, আমরা পারব। প্রতিটি কেন্দ্র আমাদেরই পাহারা দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, সব নাগরিক যেন নির্বিঘ্নে ও সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

আগামী নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ইনসাফের প্রতিনিধিরা, দাঁড়িপাল্লার কান্ডারিরা এই অঞ্চলের মাটি ও মানুষের নেতা মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ভাইকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে উপহার দেবো।”

সাদিক কায়েম জুলাইয়ের আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে বলেন, “জুলাই বিপ্লবের মাস্টারমাইন্ড আমাদের গাজীরা, শহীদ আবু সাঈদ ও শহীদ আলী রায়হান। গত ১৬ বছরে কালিগঞ্জে আমাদের যে ভাই-বোনেরা জীবন দিয়েছে, যাদের ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যাদের মা-বোনেরা লাঞ্ছিত হয়েছেন, ভাইয়েরা খুন হয়েছেন ও চাকরি হারিয়েছেন—তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি।”

তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ ও মানবিক বাংলাদেশ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন—তিনি জামায়াতে ইসলামীর বা কোনো পরিবারের বিজয় চান না, তিনি চান ১৮ কোটি মানুষের বিজয়।

জনসভা থেকে সাদিক কায়েম আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ জনসভায় আরও বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী, সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য স. ম. সালাউদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি আল মামুন ও সেক্রেটারি মেহেদী হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়াই তরুণদের দায়িত্ব: ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

Update Time : ১২:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, তরুণদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়া এবং তা নিরাপদ রাখা। তিনি অভিযোগ করেন, “আজ দিল্লির তাবেদাররা ও পতিত ফ্যাসিস্টরা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সাদিক কায়েম বলেন, “আমাদের প্রতিটি ভোটকেন্দ্র আমাদের মা-বোনদের জন্য, আমাদের চাচা-ভাইদের জন্য নিরাপদ রাখতে হবে। আমরা কি পারব? ইনশাআল্লাহ, আমরা পারব। প্রতিটি কেন্দ্র আমাদেরই পাহারা দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, সব নাগরিক যেন নির্বিঘ্নে ও সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

আগামী নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ইনসাফের প্রতিনিধিরা, দাঁড়িপাল্লার কান্ডারিরা এই অঞ্চলের মাটি ও মানুষের নেতা মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ভাইকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে উপহার দেবো।”

সাদিক কায়েম জুলাইয়ের আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে বলেন, “জুলাই বিপ্লবের মাস্টারমাইন্ড আমাদের গাজীরা, শহীদ আবু সাঈদ ও শহীদ আলী রায়হান। গত ১৬ বছরে কালিগঞ্জে আমাদের যে ভাই-বোনেরা জীবন দিয়েছে, যাদের ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যাদের মা-বোনেরা লাঞ্ছিত হয়েছেন, ভাইয়েরা খুন হয়েছেন ও চাকরি হারিয়েছেন—তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি।”

তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ ও মানবিক বাংলাদেশ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছেন—তিনি জামায়াতে ইসলামীর বা কোনো পরিবারের বিজয় চান না, তিনি চান ১৮ কোটি মানুষের বিজয়।

জনসভা থেকে সাদিক কায়েম আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ জনসভায় আরও বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী, সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য স. ম. সালাউদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলন সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি আল মামুন ও সেক্রেটারি মেহেদী হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।