বাংলাদেশে কোনো মেজরিটি-মাইনরিটি মানবো না: জামায়াত আমির
- Update Time : ০২:২৯:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১২৭ Time View

বাংলাদেশে কোনো মেজরিটি–মাইনরিটি বিভাজন মানা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নওগাঁর এটিএম মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, বাংলাদেশ শুধু মুসলমানদের দেশ নয়—এ দেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, সাঁওতালসহ সব ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের।
জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, তাঁর কিছু পুরোনো বন্ধু তাঁর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যার মিসাইল’ নিক্ষেপে শরিক হয়েছেন। তবে তিনি এসব অপপ্রচার ও অপচর্চার কোনো জবাব দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না বলে জানান। তিনি বলেন, “আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। আল্লাহও যেন তাদের ক্ষমা করে দেন।”
ডা. শফিকুর রহমান সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করে বলেন, দেশে এমন পরিবেশ তৈরি করা হবে—যেখানে কোনো জালিম নারীজাতির দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস পাবে না। আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এই নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবে তরুণ-তরুণী, কৃষক ও শ্রমিকরা রাজপথে নেমেছিল। তারা কোনো বেকার ভাতা চায়নি, তারা কাজ চেয়েছে। যুবসমাজকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করার প্রতিশ্রুতিও দেন জামায়াত আমির।
ক্ষমতায় গেলে দেশে বিদ্যমান জমিদারি প্রথার রাজনীতি বিলুপ্ত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বংশপরিচয় নয়—যোগ্যতা, সততা ও দেশপ্রেমই হবে একমাত্র মানদণ্ড। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে রিকশাচালকের মেধাবী সন্তানও প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে—এই সমাজ গড়াই তাঁদের লক্ষ্য।
এছাড়া জামায়াত ক্ষমতায় গেলে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত এনে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দেশে চাঁদাবাজির রাজনীতি বন্ধ করার দৃঢ় অঙ্গীকার করেন জামায়াত আমির।
















