সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে নাহিদ ইসলামের রিট

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১১:৫৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১০৯ Time View
বিএনপির প্রার্থী ড. এমএ কাইয়ুম ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

 

দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ ও তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন একই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দাখিল করেন নাহিদ ইসলাম। রিটে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

নাহিদ ইসলামের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই রিট আবেদনটির ওপর হাইকোর্টে শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

এর আগে ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে ড. এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র রিপাবলিক অব ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং সেখানে সম্পত্তি থাকার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন তিনি।

গত ১৯ জানুয়ারি দেওয়া এক বিবৃতিতে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে তিনি ভানুয়াতুর নাগরিক এবং সেখানে তার বাড়ি বা বিনিয়োগ রয়েছে। এসব তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ। তিনি কখনো ভানুয়াতুতে যাননি এবং অন্য কোনো দেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের কোনো ইচ্ছাও তার কখনো ছিল না বলে দাবি করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কথিত পাসপোর্ট বা নথি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইন্টারনেটে ছড়ানো এসব ফেক ডকুমেন্টে থাকা স্বাক্ষর তার প্রকৃত স্বাক্ষরের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। এগুলো সম্পূর্ণ জাল ও মনগড়া।

নির্বাচনী প্রেক্ষাপট নিয়ে ড. এম এ কাইয়ুম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কখনো বলা হচ্ছে তিনি ভানুয়াতুতে বড় বিনিয়োগকারী, কখনো বলা হচ্ছে সেখানে তার সম্পত্তি রয়েছে—বাস্তবে এসব দাবির কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি আরও বলেন, তিনি সবসময় সত্য যাচাইয়ের পক্ষে এবং অপপ্রচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ইনশাআল্লাহ নির্বাচিত হলে রাজনীতিতে মিথ্যাচার বন্ধের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে কাজ করবেন বলেও মন্তব্য করেন।

এদিকে উল্লেখযোগ্য আরেক ঘটনায় রোববার কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফেরত দেননি আপিল বিভাগ। ফলে তিনি আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। ওই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে নাহিদ ইসলামের রিট

Update Time : ১১:৫৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বিএনপির প্রার্থী ড. এমএ কাইয়ুম ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

 

দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ ও তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন একই আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দাখিল করেন নাহিদ ইসলাম। রিটে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

নাহিদ ইসলামের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই রিট আবেদনটির ওপর হাইকোর্টে শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

এর আগে ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে ড. এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র রিপাবলিক অব ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং সেখানে সম্পত্তি থাকার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন তিনি।

গত ১৯ জানুয়ারি দেওয়া এক বিবৃতিতে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে তিনি ভানুয়াতুর নাগরিক এবং সেখানে তার বাড়ি বা বিনিয়োগ রয়েছে। এসব তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ। তিনি কখনো ভানুয়াতুতে যাননি এবং অন্য কোনো দেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের কোনো ইচ্ছাও তার কখনো ছিল না বলে দাবি করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কথিত পাসপোর্ট বা নথি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইন্টারনেটে ছড়ানো এসব ফেক ডকুমেন্টে থাকা স্বাক্ষর তার প্রকৃত স্বাক্ষরের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। এগুলো সম্পূর্ণ জাল ও মনগড়া।

নির্বাচনী প্রেক্ষাপট নিয়ে ড. এম এ কাইয়ুম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কখনো বলা হচ্ছে তিনি ভানুয়াতুতে বড় বিনিয়োগকারী, কখনো বলা হচ্ছে সেখানে তার সম্পত্তি রয়েছে—বাস্তবে এসব দাবির কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি আরও বলেন, তিনি সবসময় সত্য যাচাইয়ের পক্ষে এবং অপপ্রচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ইনশাআল্লাহ নির্বাচিত হলে রাজনীতিতে মিথ্যাচার বন্ধের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে কাজ করবেন বলেও মন্তব্য করেন।

এদিকে উল্লেখযোগ্য আরেক ঘটনায় রোববার কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফেরত দেননি আপিল বিভাগ। ফলে তিনি আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। ওই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ।