সময়: রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেভাবে হ্যাক করা হয় ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:২৫:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৯৭ Time View

পরিবর্তন ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে: জামায়াত আমীর

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত বিতর্কিত পোস্টটি একটি পরিকল্পিত সাইবার হ্যাকিংয়ের ফল—এমন দাবি করেছে দলটি। পোস্টটি কীভাবে প্রকাশিত হয়, কখন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা হয়, ই-মেইল নোটিফিকেশন আসে এবং কীভাবে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করা হয়—সবকিছুর একটি বিস্তারিত টাইমলাইন প্রকাশ করেছে জামায়াত।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিতর্কিত পোস্টটি প্রকাশিত হয় ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে। ওই সময় জামায়াত আমির ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের কোনাখোলা এলাকায় একটি নির্বাচনি সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ দাবির পক্ষে সংশ্লিষ্ট সময়ের ভিডিও ফুটেজ ও স্ক্রিনশট সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।

জামায়াত জানায়, পোস্টটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই তারা অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেয়। বিকেল ৫টা ৯ মিনিটে এক্স কর্তৃপক্ষ থেকে ‘Your password has been changed’ শিরোনামে একটি ই-মেইল জামায়াত আমিরের অফিসিয়াল ই-মেইলে আসে। টাইম জোনের পার্থক্যের কারণে সময়ের সামান্য তারতম্য দেখা গেলেও স্ক্রিনশট ও ডাটা অনুযায়ী ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৫টা ৯ মিনিটেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের নোটিফিকেশন পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, হ্যাকের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর শুধু পাসওয়ার্ড পরিবর্তনই নয়, আগের সব সেশন লগআউট করে নতুন সেশন জেনারেট করা হয়। এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে, অর্থাৎ মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে, জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছিল এবং তা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

জামায়াত নেতারা বলেন, যদি পোস্টটি ভুলবশত বা নিজেরাই দিয়ে থাকতেন, তাহলে ই-মেইল রিকভারি, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন কিংবা ফরেনসিক ডাটা উপস্থাপনের কোনো প্রয়োজন পড়ত না। সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি জামায়াত আমিরের ই-মেইল ইনবক্স সাংবাদিকদের সামনে দেখানো হয়, যেখানে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের নোটিফিকেশন, লগইন লোকেশন, নতুন আইপি অ্যাড্রেস এবং সেশন পরিবর্তনের তথ্য রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, একই ধরনের একটি পোস্ট ওই দিন বিকেল ৪টা ৫৩ মিনিটে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকেও বাংলায় প্রকাশিত হয়। দুটি পোস্টের সময় ও বিষয়বস্তুর মিল থাকায় এটিকে একটি সংঘবদ্ধ সাইবার আক্রমণের অংশ বলে দাবি করে জামায়াত।

দলটি জানায়, গত এক মাসে জামায়াতের কেন্দ্রীয় অ্যাকাউন্ট, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা এবং একাধিক শীর্ষ নেতার অ্যাকাউন্টে ধারাবাহিকভাবে সাইবার আক্রমণের চেষ্টা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেনের অ্যাকাউন্টে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাইবার আক্রমণের একটি নির্দিষ্ট কৌশলের কথাও তুলে ধরা হয়। জামায়াত জানায়, ‘Case Study BGI Election’ বা অনুরূপ শিরোনামে সরকারি বা অফিসিয়াল ই-মেইলের আদলে ভুয়া ই-মেইল পাঠানো হয়। এসব ই-মেইলে ‘অত্যন্ত জরুরি’ উল্লেখ করে এক্সেস ফাইল বা সন্দেহজনক অ্যাটাচমেন্ট সংযুক্ত থাকে। এসব ফাইলের মাধ্যমে ম্যাক্রো, ডাটাবেজ স্ক্রিপ্ট বা ম্যালওয়্যার ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ১০ জানুয়ারিসহ একাধিকবার এ ধরনের ই-মেইল পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

জামায়াত জানায়, ফরেনসিক পরীক্ষায় এসব ফাইলকে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিষয়টি তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট সাইবার সিকিউরিটি কাউন্সিল ও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবে বলেও জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন ছড়ানো হচ্ছে। যাচাই ছাড়াই একাধিক গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বলে দলটি দাবি করে এবং কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অভিযোগের উদাহরণ তুলে ধরে।

এছাড়া নির্বাচনি প্রচারণায় নারীদের ভোট চাইতে গিয়ে কোথাও কোথাও হামলা, বোরখা খুলে দেওয়া এবং অশালীন ভাষা ব্যবহারের মতো ঘটনার অভিযোগও তোলে জামায়াত। একই সঙ্গে ‘৪০ লাখ বোরখা’ সংক্রান্ত বক্তব্য দিয়ে নারীদের ভোটাধিকার থেকে নিরুৎসাহিত করার অপচেষ্টা চলছে বলেও দাবি করা হয়। অথচ বিতর্কিত পোস্টের মাত্র দুই ঘণ্টা আগেই জামায়াত আমির নারীদের উচ্চশিক্ষা ও অগ্রগতির পক্ষে একটি ইতিবাচক পোস্ট করেছিলেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত বলে, আসন্ন নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে অনুষ্ঠিত হয়। গুজব, অপপ্রচার ও সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে যেন নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করা না হয়। দলটি জানায়, তারা চায় সবাই নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক এবং সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা বজায় থাকুক।

প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও সংশ্লিষ্ট সব ডাটা, স্ক্রিনশট ও ফরেনসিক রিপোর্ট উপস্থাপন করা হবে বলেও জানায় জামায়াতে ইসলামী।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যেভাবে হ্যাক করা হয় ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট

Update Time : ০৯:২৫:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত বিতর্কিত পোস্টটি একটি পরিকল্পিত সাইবার হ্যাকিংয়ের ফল—এমন দাবি করেছে দলটি। পোস্টটি কীভাবে প্রকাশিত হয়, কখন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা হয়, ই-মেইল নোটিফিকেশন আসে এবং কীভাবে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করা হয়—সবকিছুর একটি বিস্তারিত টাইমলাইন প্রকাশ করেছে জামায়াত।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিতর্কিত পোস্টটি প্রকাশিত হয় ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে। ওই সময় জামায়াত আমির ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের কোনাখোলা এলাকায় একটি নির্বাচনি সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ দাবির পক্ষে সংশ্লিষ্ট সময়ের ভিডিও ফুটেজ ও স্ক্রিনশট সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।

জামায়াত জানায়, পোস্টটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই তারা অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেয়। বিকেল ৫টা ৯ মিনিটে এক্স কর্তৃপক্ষ থেকে ‘Your password has been changed’ শিরোনামে একটি ই-মেইল জামায়াত আমিরের অফিসিয়াল ই-মেইলে আসে। টাইম জোনের পার্থক্যের কারণে সময়ের সামান্য তারতম্য দেখা গেলেও স্ক্রিনশট ও ডাটা অনুযায়ী ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৫টা ৯ মিনিটেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের নোটিফিকেশন পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, হ্যাকের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর শুধু পাসওয়ার্ড পরিবর্তনই নয়, আগের সব সেশন লগআউট করে নতুন সেশন জেনারেট করা হয়। এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে, অর্থাৎ মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে, জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছিল এবং তা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

জামায়াত নেতারা বলেন, যদি পোস্টটি ভুলবশত বা নিজেরাই দিয়ে থাকতেন, তাহলে ই-মেইল রিকভারি, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন কিংবা ফরেনসিক ডাটা উপস্থাপনের কোনো প্রয়োজন পড়ত না। সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি জামায়াত আমিরের ই-মেইল ইনবক্স সাংবাদিকদের সামনে দেখানো হয়, যেখানে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের নোটিফিকেশন, লগইন লোকেশন, নতুন আইপি অ্যাড্রেস এবং সেশন পরিবর্তনের তথ্য রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, একই ধরনের একটি পোস্ট ওই দিন বিকেল ৪টা ৫৩ মিনিটে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকেও বাংলায় প্রকাশিত হয়। দুটি পোস্টের সময় ও বিষয়বস্তুর মিল থাকায় এটিকে একটি সংঘবদ্ধ সাইবার আক্রমণের অংশ বলে দাবি করে জামায়াত।

দলটি জানায়, গত এক মাসে জামায়াতের কেন্দ্রীয় অ্যাকাউন্ট, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা এবং একাধিক শীর্ষ নেতার অ্যাকাউন্টে ধারাবাহিকভাবে সাইবার আক্রমণের চেষ্টা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেনের অ্যাকাউন্টে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাইবার আক্রমণের একটি নির্দিষ্ট কৌশলের কথাও তুলে ধরা হয়। জামায়াত জানায়, ‘Case Study BGI Election’ বা অনুরূপ শিরোনামে সরকারি বা অফিসিয়াল ই-মেইলের আদলে ভুয়া ই-মেইল পাঠানো হয়। এসব ই-মেইলে ‘অত্যন্ত জরুরি’ উল্লেখ করে এক্সেস ফাইল বা সন্দেহজনক অ্যাটাচমেন্ট সংযুক্ত থাকে। এসব ফাইলের মাধ্যমে ম্যাক্রো, ডাটাবেজ স্ক্রিপ্ট বা ম্যালওয়্যার ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ১০ জানুয়ারিসহ একাধিকবার এ ধরনের ই-মেইল পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

জামায়াত জানায়, ফরেনসিক পরীক্ষায় এসব ফাইলকে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিষয়টি তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট সাইবার সিকিউরিটি কাউন্সিল ও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবে বলেও জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন ছড়ানো হচ্ছে। যাচাই ছাড়াই একাধিক গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বলে দলটি দাবি করে এবং কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অভিযোগের উদাহরণ তুলে ধরে।

এছাড়া নির্বাচনি প্রচারণায় নারীদের ভোট চাইতে গিয়ে কোথাও কোথাও হামলা, বোরখা খুলে দেওয়া এবং অশালীন ভাষা ব্যবহারের মতো ঘটনার অভিযোগও তোলে জামায়াত। একই সঙ্গে ‘৪০ লাখ বোরখা’ সংক্রান্ত বক্তব্য দিয়ে নারীদের ভোটাধিকার থেকে নিরুৎসাহিত করার অপচেষ্টা চলছে বলেও দাবি করা হয়। অথচ বিতর্কিত পোস্টের মাত্র দুই ঘণ্টা আগেই জামায়াত আমির নারীদের উচ্চশিক্ষা ও অগ্রগতির পক্ষে একটি ইতিবাচক পোস্ট করেছিলেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত বলে, আসন্ন নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে অনুষ্ঠিত হয়। গুজব, অপপ্রচার ও সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে যেন নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করা না হয়। দলটি জানায়, তারা চায় সবাই নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক এবং সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা বজায় থাকুক।

প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও সংশ্লিষ্ট সব ডাটা, স্ক্রিনশট ও ফরেনসিক রিপোর্ট উপস্থাপন করা হবে বলেও জানায় জামায়াতে ইসলামী।