ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলের আবেদন করা হয়নি: যশোর জেলা প্রশাসন
- Update Time : ০২:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৪৫ Time View

স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা শাখার সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছে যশোর জেলা প্রশাসন। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলগেটেই মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আশীষ কুমার দাসের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাগেরহাট কারাগার থেকে গত ১৫ ডিসেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত বন্দি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যশোর বা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে প্যারোলে মুক্তির জন্য কোনো লিখিত আবেদন করা হয়নি।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পরিবারের বক্তব্য থেকে জানা গেছে—সময় স্বল্পতার কারণে পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্যারোলে মুক্তির আবেদন না করে জেলগেটেই মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেও তা দেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু পোস্টে যে চিঠি ও কারাগারে বন্দি অবস্থার ছবি দেখানো হচ্ছে, সেগুলো যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। পাশাপাশি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর কোনো আবেদন না থাকায় প্যারোল না দেওয়ার অভিযোগও সঠিক নয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পরিবারের মৌখিক অনুরোধের প্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মানবিক বিবেচনায় কারা ফটকে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করে। এ বিষয়ে সত্যনিষ্ঠ ও যাচাইকৃত সংবাদ প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমের প্রতিও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের সঙ্গে স্বর্ণালীর বিয়ে হয়। স্বামীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন স্বর্ণালী এবং স্বামীকে মুক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। গত শুক্রবার ঘরের ভেতর থেকে নয় মাস বয়সী সন্তান নাজিম ও স্বর্ণালীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আনে।
















