সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলিবর্ষণ

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:১১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৪৪ Time View

 

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেলে অফিসে অবস্থানরত নেতা-কর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ঘটনার সময় নির্বাচনী অফিসে দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল বলে জানা গেছে। গুলির উৎস ও কারা এ ঘটনায় জড়িত—তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে এবং তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের পাশাপাশি আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক বিরোধ, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যক্তিগত শত্রুতার কোনো যোগসূত্র আছে কি না—সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সচেতন নাগরিকরা বলেন, নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। তারা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

ঘটনাটি নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজধানীতে নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলিবর্ষণ

Update Time : ০৫:১১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

 

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেলে অফিসে অবস্থানরত নেতা-কর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ঘটনার সময় নির্বাচনী অফিসে দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল বলে জানা গেছে। গুলির উৎস ও কারা এ ঘটনায় জড়িত—তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে এবং তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের পাশাপাশি আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক বিরোধ, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যক্তিগত শত্রুতার কোনো যোগসূত্র আছে কি না—সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সচেতন নাগরিকরা বলেন, নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। তারা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

ঘটনাটি নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।