সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাতকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াতের প্রার্থী

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৭:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৪৬ Time View

 

আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে কুমিল্লা–৪ (দেবিদ্বার) সংসদীয় আসনে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম শহীদ।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান সাইফুল ইসলাম শহীদ। জামায়াতসহ নয়টি দলের সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট গঠনের পর বৃহত্তর রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ বলেন, কেন্দ্রীয় জামায়াতের দায়িত্বশীলদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহত্তর রাজনৈতিক লক্ষ্য ও ঐক্যের স্বার্থে আমি হাসনাত আব্দুল্লাহর জন্য আসন ছেড়ে দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। আমরা দেশ, মানুষ ও দ্বীন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনীতি করি। দলীয় যে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, গত কয়েক মাস ধরে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা আমার নির্বাচনী প্রচারণায় যে শ্রম ও সময় দিয়েছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। দ্বীন বিজয়ের আন্দোলনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।

এর আগে একই দিন বিকেলে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান জামায়াত নেতৃত্বাধীন আট দলীয় জোটের সঙ্গে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির অংশগ্রহণে মোট দশ দলীয় জোট গঠনের ঘোষণা দেন।

এই জোটে জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কুমিল্লা–৪ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর এই ঘোষণা আসন্ন নির্বাচনী সমীকরণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে এবং জোট রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাতকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াতের প্রার্থী

Update Time : ০৭:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

 

আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে কুমিল্লা–৪ (দেবিদ্বার) সংসদীয় আসনে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম শহীদ।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান সাইফুল ইসলাম শহীদ। জামায়াতসহ নয়টি দলের সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট গঠনের পর বৃহত্তর রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ বলেন, কেন্দ্রীয় জামায়াতের দায়িত্বশীলদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহত্তর রাজনৈতিক লক্ষ্য ও ঐক্যের স্বার্থে আমি হাসনাত আব্দুল্লাহর জন্য আসন ছেড়ে দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। আমরা দেশ, মানুষ ও দ্বীন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনীতি করি। দলীয় যে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, গত কয়েক মাস ধরে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা আমার নির্বাচনী প্রচারণায় যে শ্রম ও সময় দিয়েছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। দ্বীন বিজয়ের আন্দোলনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।

এর আগে একই দিন বিকেলে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান জামায়াত নেতৃত্বাধীন আট দলীয় জোটের সঙ্গে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির অংশগ্রহণে মোট দশ দলীয় জোট গঠনের ঘোষণা দেন।

এই জোটে জামায়াতে ইসলামী ছাড়াও রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কুমিল্লা–৪ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর এই ঘোষণা আসন্ন নির্বাচনী সমীকরণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে এবং জোট রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল।