সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেডিকেল বোর্ড: খালেদা জিয়া সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:৫৪:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৩৮ Time View

 

চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত জটিল। তিনি বর্তমানে এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

খালেদা জিয়ার সর্বশেষ স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, তাঁর অবস্থার উন্নতি হয়েছে—এমনটি বলার সুযোগ নেই। বরং তিনি এখনও গুরুতর শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এবং এই সময়টি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার পরপরই তাঁর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রথমে তাঁকে কেবিন থেকে সিসিইউ এবং পরবর্তীতে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। এ চিকিৎসা কার্যক্রমে তাঁর পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমানও যুক্ত রয়েছেন।

এর আগে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দেশে ফিরে গত বৃহস্পতিবার মাকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দিনভর দলীয় কর্মসূচি শেষে তিনি আবারও মায়ের শয্যাপাশে উপস্থিত হন। প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় হাসপাতালে অবস্থান করার পর রাত ১১টা ৫৮ মিনিটে তিনি সেখান থেকে বের হন।

২৩ নভেম্বর থেকে টানা এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক জটিল রোগে ভুগছেন। তাঁর ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসজনিত সমস্যাগুলো ওঠানামা করছে। এসব জটিলতা পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার দাবি বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার জানানো হলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা আকাশপথে ভ্রমণের উপযোগী নয়। ফলে দেশেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মেডিকেল বোর্ড: খালেদা জিয়া সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন

চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত জটিল। তিনি বর্তমানে এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

খালেদা জিয়ার সর্বশেষ স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, তাঁর অবস্থার উন্নতি হয়েছে—এমনটি বলার সুযোগ নেই। বরং তিনি এখনও গুরুতর শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এবং এই সময়টি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার পরপরই তাঁর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রথমে তাঁকে কেবিন থেকে সিসিইউ এবং পরবর্তীতে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। এ চিকিৎসা কার্যক্রমে তাঁর পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমানও যুক্ত রয়েছেন।

এর আগে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দেশে ফিরে গত বৃহস্পতিবার মাকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দিনভর দলীয় কর্মসূচি শেষে তিনি আবারও মায়ের শয্যাপাশে উপস্থিত হন। প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় হাসপাতালে অবস্থান করার পর রাত ১১টা ৫৮ মিনিটে তিনি সেখান থেকে বের হন।

২৩ নভেম্বর থেকে টানা এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক জটিল রোগে ভুগছেন। তাঁর ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসজনিত সমস্যাগুলো ওঠানামা করছে। এসব জটিলতা পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার দাবি বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার জানানো হলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা আকাশপথে ভ্রমণের উপযোগী নয়। ফলে দেশেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মেডিকেল বোর্ড: খালেদা জিয়া সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন

Update Time : ০৯:৫৪:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

 

চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত জটিল। তিনি বর্তমানে এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

খালেদা জিয়ার সর্বশেষ স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, তাঁর অবস্থার উন্নতি হয়েছে—এমনটি বলার সুযোগ নেই। বরং তিনি এখনও গুরুতর শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এবং এই সময়টি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার পরপরই তাঁর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রথমে তাঁকে কেবিন থেকে সিসিইউ এবং পরবর্তীতে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। এ চিকিৎসা কার্যক্রমে তাঁর পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমানও যুক্ত রয়েছেন।

এর আগে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দেশে ফিরে গত বৃহস্পতিবার মাকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দিনভর দলীয় কর্মসূচি শেষে তিনি আবারও মায়ের শয্যাপাশে উপস্থিত হন। প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় হাসপাতালে অবস্থান করার পর রাত ১১টা ৫৮ মিনিটে তিনি সেখান থেকে বের হন।

২৩ নভেম্বর থেকে টানা এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক জটিল রোগে ভুগছেন। তাঁর ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসজনিত সমস্যাগুলো ওঠানামা করছে। এসব জটিলতা পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার দাবি বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার জানানো হলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা আকাশপথে ভ্রমণের উপযোগী নয়। ফলে দেশেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মেডিকেল বোর্ড: খালেদা জিয়া সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন

চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত জটিল। তিনি বর্তমানে এক সংকটময় সময় অতিক্রম করছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

খালেদা জিয়ার সর্বশেষ স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, তাঁর অবস্থার উন্নতি হয়েছে—এমনটি বলার সুযোগ নেই। বরং তিনি এখনও গুরুতর শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এবং এই সময়টি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার পরপরই তাঁর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রথমে তাঁকে কেবিন থেকে সিসিইউ এবং পরবর্তীতে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। এ চিকিৎসা কার্যক্রমে তাঁর পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমানও যুক্ত রয়েছেন।

এর আগে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দেশে ফিরে গত বৃহস্পতিবার মাকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দিনভর দলীয় কর্মসূচি শেষে তিনি আবারও মায়ের শয্যাপাশে উপস্থিত হন। প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় হাসপাতালে অবস্থান করার পর রাত ১১টা ৫৮ মিনিটে তিনি সেখান থেকে বের হন।

২৩ নভেম্বর থেকে টানা এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক জটিল রোগে ভুগছেন। তাঁর ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসজনিত সমস্যাগুলো ওঠানামা করছে। এসব জটিলতা পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার দাবি বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার জানানো হলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা আকাশপথে ভ্রমণের উপযোগী নয়। ফলে দেশেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।