জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি: মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় বড় অগ্রগতি
- Update Time : ০২:২৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৯৮ Time View

জুলাই–আগস্টে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের সময় ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ট্রাইব্যুনাল শুধু গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেই থেমে থাকেনি; একই মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগও আমলে নিয়েছে। তাকে ১০ ডিসেম্বর আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পলক ইতোমধ্যেই বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন, তাই নির্দেশটি মূলত পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার অংশ।
তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর দ্রুত অগ্রগতি
এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার জুলাই-অগাস্ট গণআন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয়সহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন গ্রহণ করে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম নিশ্চিত করেন যে দীর্ঘদিনের অনুসন্ধান, সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ বিশ্লেষণের পর তদন্ত সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে।
মামলার ৪ আসামি
১. সজীব ওয়াজেদ জয় – বিদেশে অবস্থান করছেন।
২. আনিসুল হক – সাবেক আইনমন্ত্রী (বর্তমানে কারাগারে)।
৩. সালমান এফ রহমান – সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (বর্তমানে কারাগারে)।
৪. জুনায়েদ আহমেদ পলক – সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী (কারাগারে)।
প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, তাদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, দমন-পীড়নসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। জয় বর্তমানে দেশের বাইরে থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ ছিল না।
বিদেশে অবস্থান করছেন জয়
অন্য তিন আসামি দেশে থাকায় বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলেও সজীব ওয়াজেদ জয় দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তদন্ত প্রতিবেদনে তার ভূমিকা, দায়িত্ব এবং অভিযোগসমূহ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ রয়েছে বলেও জানা গেছে।
ট্রাইব্যুনালের মতে, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগসমূহ “প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ার মতো যথেষ্ট ভিত্তিসম্পন্ন”, তাই দ্রুত বিচার শুরু করার লক্ষ্যে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
















