বিএনপি প্রার্থী বুলেট দিয়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চান:জামায়াত আমির
- Update Time : ১০:২৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৪৬ Time View

বিএনপি প্রার্থী বুলেট দিয়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চান: অভিযোগ জামায়াত আমির শফিকুর রহমান
ইশ্বরদীর সহিংসতা ‘হঠাৎ নয়’, পরিকল্পিত উসকানি—এমন দাবি
পাবনার ইশ্বরদীতে সংঘটিত সাম্প্রতিক সহিংসতাকে হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখছে না জামায়াতে ইসলামী। দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এই ঘটনাই প্রমাণ করে—ব্যালট নয়, বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী “বুলেট” দিয়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত স্ট্যাটাসে তিনি এ দাবি তোলেন।
বিএনপি প্রার্থীর ‘উসকানিমূলক আচরণই সহিংসতার কারণ’: জামায়াত আমির
নিজের স্ট্যাটাসে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, ইশ্বরদীর সহিংস পরিস্থিতির পেছনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর “অসহিষ্ণু, অগণতান্ত্রিক ও উসকানিমূলক” বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড মূল ভূমিকা রেখেছে। তার ভাষায়, এসব আচরণ প্রমাণ করে এটি কোনো গণতান্ত্রিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাস ও আতঙ্ক তৈরির পরিকল্পিত প্রয়াস।
তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনাপ্রবাহ দেখলে স্পষ্ট হয়—বিএনপি প্রার্থীর লক্ষ্য ছিল ভোটারদের ভয় দেখানো এবং নির্বাচনী পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে নিজের সুবিধা আদায় করা। “এটি ব্যালটের লড়াই নয়; এটি বুলেটের ভয় দেখিয়ে রাজত্ব কায়েমের চেষ্টা”—বলেছেন জামায়াতের আমির।
প্রশাসনের ওপর দৃষ্টি রাখছে জনগণ
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে। এখন জনগণ দেখতে চায়, এই সহিংসতার পর প্রশাসন বাস্তবে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে। “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি সত্যিই নিরপেক্ষ থাকে, তাহলে অপরাধীরা শাস্তি পাবে”—এমন প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।
“জামায়াত সন্ত্রাসের কাছে মাথা নত করবে না”
স্ট্যাটাসে তিনি কঠোর ভাষায় বলেন, কোনো সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ভীতি বা হামলার কাছে জামায়াতে ইসলামী মাথা নত করবে না। বরং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লড়াই আরও শক্তিশালী হবে। তার মতে, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে অবস্থান নেওয়াই এখন সময়ের দাবি।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তার কথায়, “ইনশাআল্লাহ, আমরা থামব না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চলবে।”
















