প্রশাসন আমাদের কথায় উঠবে, বসবে, গ্রেপ্তার করবে: শাহজাহান চৌধুরী
- Update Time : ১১:৪৪:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৫১ Time View

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর জন্য আজকের এই সুযোগ ভবিষ্যতে আর সহজভাবে আসবে না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের দুর্নীতির টাকা বাদ দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ হিন্দুস্তান থেকে বস্তা বস্তা টাকা দেশে প্রবেশ করবে এবং অস্ত্রও ঢুকবে। তিনি বলেন, “আমাদের আমির যদি থাকতেন, তাহলে আমি বলতাম, নির্বাচন শুধু জনগণকে দিয়ে নয়; যার যার নির্বাচনী এলাকায় যারা প্রশাসনে আছে, তাদেরকে অবশ্যই আমাদের আন্ডারে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের কথায় উঠবে, আমাদের কথায় বসবে, আমাদের কথায় গ্রেপ্তার করবে, আমাদের কথায় মামলা করবে।”
শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে জামায়াতের চট্টগ্রামের নির্বাচনী দায়িত্বশীলদের সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি কেন্দ্রীয় এক নেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “যার যার নির্বাচনী এলাকায় প্রাইমারি স্কুলের মাস্টারকে দাঁড়িপাল্লার কথা বলতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককেও একইভাবে নির্দেশ দিতে হবে। পুলিশকে আপনার পেছনে পেছনে হাঁটতে হবে। ওসি সাহেব সকালবেলায় আপনার প্রোগ্রাম জেনে নেবে এবং আপনাকে প্রোটোকল দেবে। টিএনও (ইউএনও) সাহেব যা উন্নয়ন করেছে, তার হিসাব নিকাশও আপনার নমিনি থেকে বের করতে হবে।”
তিনি আরও জানান, “আমি আমার দক্ষিণ জেলায় অনেককে সহযোগিতা করেছি। তখন ক্যান্ডিডেট হিসেবে আমার নাম ঘোষণা করা হয়নি। উপদেষ্টাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। লোহাগাড়ায় ১০০ কোটি, সাতকানিয়ায় ১০০ কোটি এবং বাস্তবায়নের জন্য লোহাগাড়ায় ১০ কোটি, সাতকানিয়ায় ১০ কোটি দেওয়া হয়েছে। জনগণের অভাব, অভিযোগ এবং চাহিদা বুঝতে হবে। আমার এলাকায় ডেকোরেশনের বয়দের নিয়ে সম্মেলন হয়েছে, অনেক এলাকায় হয়নি। আমরা তো তাদের ভোটারই মনে করছি না। সবাইকে নিয়ে সম্মেলন করতে হবে।”
চট্টগ্রামের এই শীর্ষ জামায়াত নেতা বলেন, “আমাকে মাফ করবেন, নির্বাচন শুধু সংগঠন নয়। সংগঠন অবশ্যই লাগবে। এটি আমাদের মৌলিক ভিত্তি। সংগঠনই আমাদের একমাত্র ধারক এবং বাহক। কিন্তু জনগণকে যদি জায়গা দিতে না পারেন, তাহলে নির্বাচনে বিজয় কঠিন। যেমন বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শুধু আওয়ামী লীগের লোক নিয়ে দেশ শাসন করতে চেয়েছে। জনগণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাই জনতার আন্দোলনের মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতারা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।”
সমাবেশে শাহজাহান চৌধুরীর এই বক্তব্য প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
















