সময়: বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী পরীক্ষা স্থগিত: ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৪২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩০২ Time View

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপাতত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনী পরীক্ষা নিতে পারবে না; পরিবর্তে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

রোববার (৯ নভেম্বর) বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে যেতে হবে। নির্বাচনী পরীক্ষা নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে, তাই আপাতত তা স্থগিত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার বিবেচনা করে নির্বাচনী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হবে এবং তা আলাদা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। বোর্ডের নির্দেশে বলা হয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের নিরবচ্ছিন্নভাবে পাঠদান নিশ্চিত করা এবং তাদের পাঠ্যসূচির প্রতিটি অংশ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগাম নির্বাচনী পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে বোর্ড মনে করছে, এখনই পরীক্ষা নেওয়া হলে অনেক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে চাপের মুখে পড়বে এবং নিয়মিত পাঠদানে শিথিলতা আসবে। তাই শিক্ষার্থীদের সার্বিক একাডেমিক অগ্রগতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ডের আওতাধীন সকল কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রধানদের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। বোর্ড বলেছে, নিয়মিত ক্লাসের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে মনোযোগী রাখাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক। কারণ এতে তারা আরও সময় পাবে বিষয়বস্তুর গভীরে যাওয়ার, পুনরাবৃত্তি করার এবং আসন্ন বোর্ড পরীক্ষার জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ। ভবিষ্যতে বোর্ডের পরবর্তী নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নির্বাচনী পরীক্ষা স্থগিত: ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ

Update Time : ০৪:৪২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপাতত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনী পরীক্ষা নিতে পারবে না; পরিবর্তে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

রোববার (৯ নভেম্বর) বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে যেতে হবে। নির্বাচনী পরীক্ষা নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে, তাই আপাতত তা স্থগিত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার বিবেচনা করে নির্বাচনী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হবে এবং তা আলাদা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। বোর্ডের নির্দেশে বলা হয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের নিরবচ্ছিন্নভাবে পাঠদান নিশ্চিত করা এবং তাদের পাঠ্যসূচির প্রতিটি অংশ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগাম নির্বাচনী পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে বোর্ড মনে করছে, এখনই পরীক্ষা নেওয়া হলে অনেক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে চাপের মুখে পড়বে এবং নিয়মিত পাঠদানে শিথিলতা আসবে। তাই শিক্ষার্থীদের সার্বিক একাডেমিক অগ্রগতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ডের আওতাধীন সকল কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রধানদের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। বোর্ড বলেছে, নিয়মিত ক্লাসের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে মনোযোগী রাখাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক। কারণ এতে তারা আরও সময় পাবে বিষয়বস্তুর গভীরে যাওয়ার, পুনরাবৃত্তি করার এবং আসন্ন বোর্ড পরীক্ষার জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ। ভবিষ্যতে বোর্ডের পরবর্তী নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারিত হবে বলে জানানো হয়েছে।