সময়: বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ইমু’ নামের শিক্ষার্থী ছাত্রীসংস্থার কর্মী নন: জবিতে ইসলামী ছাত্রীসংস্থার প্রতিবাদ

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৭৪ Time View

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলসংক্রান্ত একটি সংবাদে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশের অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

শনিবার (৮ নভেম্বর) সংগঠনের শাখা সভানেত্রী সুখীমন খাতুন স্বাক্ষরিত এক লিখিত বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, দৈনিক ইনকিলাবসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ‘ইমু’ নামের এক শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিবৃতিতে আরও স্পষ্ট করা হয়, উক্ত শিক্ষার্থী সংগঠনের সদস্য বা কর্মী নন—তার সঙ্গে ছাত্রীসংস্থার কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই।

সংগঠনটি দাবি করে, ছাত্রসংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ‘ইমু’ নামের ওই শিক্ষার্থীকে সংস্থার প্যানেল থেকে ‘হল ভিপি’ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—এমন খবর প্রকাশ করা পুরোপুরি অনুমাননির্ভর দায়িত্বজ্ঞানহীন সাংবাদিকতা। বিবৃতিতে বলা হয়, আনুষ্ঠানিক প্যানেল ঘোষণার আগেই এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ শুধু বিভ্রান্তি ছড়ায় না, বরং একটি ধর্মীয় শিক্ষার্থী সংগঠনের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করে।

সংগঠনটি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে প্রকাশিত সংবাদের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ সংবাদ সংশোধনের আহ্বান জানায়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা দীর্ঘদিন ধরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের অধিকার, কল্যাণ এবং হল ব্যবস্থাপনায় সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

ছাত্রীসংস্থার পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়—সত্যতা যাচাই না করে কোনো সংগঠন বা ব্যক্তিকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে এবং সাংবাদিকতার নীতি, পেশাগত সততা দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে।

এর আগে, বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে ‘জবি ক্যান্টিনে খাবারে পোকা, প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করলেন ছাত্রীসংস্থার নেত্রী’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জবির একমাত্র ছাত্রী হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলের ক্যান্টিনে খাবারে পোকা পাওয়া গেলে প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থীর ওপর চড়াও হন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ১৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ও ছাত্রীসংস্থার নেত্রী ফাতেমাতুজ জোহরা ইমু।

তবে ছাত্রীসংস্থার দাবি, এই প্রতিবেদন সম্পূর্ণ মিথ্যা বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সার্বিক কল্যাণ ও অধিকার নিশ্চিত করতে ইসলামী ছাত্রীসংস্থা সর্বদা শান্তিপূর্ণ ও নীতিনিষ্ঠ পদ্ধতিতে কাজ করে যাচ্ছে, এবং কোনো অবস্থাতেই তারা অন্যায় বা অনৈতিক আচরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

সংগঠনটি আশা প্রকাশ করে যে, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকবে গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদা রক্ষায় আরও সচেতন ভূমিকা পালন করবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘ইমু’ নামের শিক্ষার্থী ছাত্রীসংস্থার কর্মী নন: জবিতে ইসলামী ছাত্রীসংস্থার প্রতিবাদ

Update Time : ০৬:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলসংক্রান্ত একটি সংবাদে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশের অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

শনিবার (৮ নভেম্বর) সংগঠনের শাখা সভানেত্রী সুখীমন খাতুন স্বাক্ষরিত এক লিখিত বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, দৈনিক ইনকিলাবসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ‘ইমু’ নামের এক শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিবৃতিতে আরও স্পষ্ট করা হয়, উক্ত শিক্ষার্থী সংগঠনের সদস্য বা কর্মী নন—তার সঙ্গে ছাত্রীসংস্থার কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই।

সংগঠনটি দাবি করে, ছাত্রসংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ‘ইমু’ নামের ওই শিক্ষার্থীকে সংস্থার প্যানেল থেকে ‘হল ভিপি’ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—এমন খবর প্রকাশ করা পুরোপুরি অনুমাননির্ভর দায়িত্বজ্ঞানহীন সাংবাদিকতা। বিবৃতিতে বলা হয়, আনুষ্ঠানিক প্যানেল ঘোষণার আগেই এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ শুধু বিভ্রান্তি ছড়ায় না, বরং একটি ধর্মীয় শিক্ষার্থী সংগঠনের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করে।

সংগঠনটি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে প্রকাশিত সংবাদের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ সংবাদ সংশোধনের আহ্বান জানায়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা দীর্ঘদিন ধরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের অধিকার, কল্যাণ এবং হল ব্যবস্থাপনায় সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

ছাত্রীসংস্থার পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়—সত্যতা যাচাই না করে কোনো সংগঠন বা ব্যক্তিকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে এবং সাংবাদিকতার নীতি, পেশাগত সততা দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে।

এর আগে, বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে ‘জবি ক্যান্টিনে খাবারে পোকা, প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করলেন ছাত্রীসংস্থার নেত্রী’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জবির একমাত্র ছাত্রী হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলের ক্যান্টিনে খাবারে পোকা পাওয়া গেলে প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থীর ওপর চড়াও হন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ১৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ও ছাত্রীসংস্থার নেত্রী ফাতেমাতুজ জোহরা ইমু।

তবে ছাত্রীসংস্থার দাবি, এই প্রতিবেদন সম্পূর্ণ মিথ্যা বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সার্বিক কল্যাণ ও অধিকার নিশ্চিত করতে ইসলামী ছাত্রীসংস্থা সর্বদা শান্তিপূর্ণ ও নীতিনিষ্ঠ পদ্ধতিতে কাজ করে যাচ্ছে, এবং কোনো অবস্থাতেই তারা অন্যায় বা অনৈতিক আচরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

সংগঠনটি আশা প্রকাশ করে যে, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকবে গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদা রক্ষায় আরও সচেতন ভূমিকা পালন করবে।