চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘পিএনএস সাইফ’
- Update Time : ০৮:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৩৯ Time View

চার দিনের শুভেচ্ছা সফরে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে পাকিস্তান নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘পিএনএস সাইফ’। শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করলে চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডারের পক্ষ থেকে চিফ স্টাফ অফিসার উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জাহাজের কর্মকর্তা ও নাবিকদের।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাহাজটিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা, চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন স্তরের সদস্যরা। আনুষ্ঠানিক এই অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে দুই দেশের নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সফরকালীন সময় ‘পিএনএস সাইফ’-এর অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার বিএন ফ্লিট এবং এরিয়া সুপারিনটেনডেন্ট ডকইয়ার্ডের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এসময় তারা পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে মতবিনিময় করবেন এবং নৌ-প্রশিক্ষণ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে সূত্র জানায়।
চট্টগ্রাম অবস্থানকালে পাকিস্তানি নৌবাহিনীর কর্মকর্তা, নাবিক ও প্রশিক্ষণার্থীরা চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি তারা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও জাহাজও ঘুরে দেখবেন। অপরদিকে, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরাও সৌজন্য বিনিময়ের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের এই যুদ্ধজাহাজটি পরিদর্শন করবেন।
নৌবাহিনীর বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। বিশেষ করে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ‘পিএনএস সাইফ’ পাকিস্তান নৌবাহিনীর একটি আধুনিক যুদ্ধজাহাজ, যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহড়ায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা রাখে। এর বাংলাদেশ সফরকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ধারাবাহিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করা এই জাহাজটি আগামী চার দিন বাংলাদেশের জলে অবস্থান করবে এবং সফর শেষে ১২ নভেম্বর নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। এই সফরকে কেন্দ্র করে বন্দরে এবং নৌবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।










