সময়: বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০০ কোটি ডলারের সয়াবিন আমদানির চুক্তি

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১১:০৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৯৮ Time View

বাংলাদেশের তিনটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী—মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, সিটি গ্রুপ এবং ডেল্টা অ্যাগ্রোফুড ইন্ডাস্ট্রিজ—যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বছরে মোট ১০০ কোটি ডলার (বিলিয়ন ডলার) মূল্যের সয়াবিন আমদানির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে লেটার অব ইন্টেন্ট (এলওআই) সই করেছে। এর মাধ্যমে কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর এক হোটেলে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস, ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিল (USSEC) এবং ইউএস সয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

আমদানিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে মেঘনা গ্রুপ

তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ একাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০ লাখ টন সয়াবিন বীজ আমদানি করবে—যা পুরো চুক্তির প্রায় অর্ধেক। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একক কোনো কোম্পানির সবচেয়ে বড় কৃষিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরেই ভোজ্যতেল, পশুখাদ্য এবং কৃষিপণ্যে দেশের শীর্ষ আমদানিকারক ও প্রক্রিয়াজাতকারী হিসেবে পরিচিত।

মেঘনা গ্রুপের পরিচালক তানজিমা বিনতে মোস্তফা বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন আমদানির মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পশুখাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল ও টেকসই করতে চাই। এটি শুধু একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়, বরং দেশের খাদ্যশিল্পে এক দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।”

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি জ্যাকবসন। তিনি বলেন, “আমরা শুধু কৃষিপণ্য নয়, বরং দুই দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের দিকে নজর দিচ্ছি। কৃষি এই সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”

তিনি আরও জানান, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার, যা এ বছর বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার ভাষায়, “আমরা ৩৫০ মিলিয়ন ডলার থেকে ১ বিলিয়নে পৌঁছেছি—এটি বাংলাদেশের বাজারের শক্তি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার প্রমাণ।”

শিল্প উদ্যোক্তাদের মতামত

ডেল্টা অ্যাগ্রোফুড ইন্ডাস্ট্রিজ

লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্যের মান সব সময়ই সর্বোচ্চ পর্যায়ের। আমরা বিশ্বাস করি, এ সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।”

তার মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। তবে এলপিজি, অপরিশোধিত তেল এবং সয়াবিন আমদানির সুযোগ বাড়লে এই ঘাটতি কমে গিয়ে প্রায় ৩.বিলিয়ন ডলারের পারস্পরিক বাণিজ্যে রূপ নিতে পারে।

সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাসান বলেন, “খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলে গুণগত মান ও টেকসই নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ভোজ্যতেল ও পশুখাদ্য খাতে সয়াবিন একটি কৌশলগত উপাদান, যার ওপর নির্ভর করে দেশের খাদ্যশিল্পের একটি বড় অংশ।”

সয়াবিন আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ মূলত ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন বীজ আমদানি করে থাকে। গত অর্থবছরে মোট ১৭ লাখ ৩৫ হাজার টন সয়াবিন আমদানি করা হয়, যার বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৭৮ কোটি ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হয়েছিল ৩৫ কোটি ডলারের সয়াবিন বীজ

নতুন এই ১০০ কোটি ডলারের এলওআই সইয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কৃষিপণ্য সরবরাহকারীতে পরিণত হলো। এটি শুধু বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি নয়, বরং খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি বিকল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পে নতুন বিনিয়োগের পথ খুলে দিচ্ছে।

কৃষি শিল্পে প্রভাব

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই আমদানির ফলে দেশের ভোজ্যতেল শিল্পে কাঁচামালের ঘাটতি কমবে, পশুখাদ্য উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষক পর্যায়ে সয়াবিন তেল উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা কমে আসবে। একইসঙ্গে এটি ডলার ভিত্তিক আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।

বাংলাদেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টন সয়াবিন বীজের চাহিদা রয়েছে। এর অর্ধেকের বেশি আসে আমদানির মাধ্যমে। স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ থাকলেও প্রযুক্তিগত ও আবহাওগত সীমাবদ্ধতার কারণে এখনও তা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত কৃষি ব্যবস্থার দেশের ওপর নির্ভরতা আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই এলওআই সইয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে কৃষি বাণিজ্যের নতুন অধ্যায় শুরু হলো। এটি শুধু সয়াবিন আমদানির চুক্তি নয়—বরং দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব, খাদ্যনিরাপত্তা ও শিল্পোন্নয়নের এক মাইলফলক।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সময়মতো এই পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত হলে বাংলাদেশের তেলশিল্প ও পশুখাদ্য খাতে আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যা দেশের ভোক্তা বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০০ কোটি ডলারের সয়াবিন আমদানির চুক্তি

Update Time : ১১:০৬:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের তিনটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী—মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, সিটি গ্রুপ এবং ডেল্টা অ্যাগ্রোফুড ইন্ডাস্ট্রিজ—যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বছরে মোট ১০০ কোটি ডলার (বিলিয়ন ডলার) মূল্যের সয়াবিন আমদানির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে লেটার অব ইন্টেন্ট (এলওআই) সই করেছে। এর মাধ্যমে কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর এক হোটেলে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস, ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিল (USSEC) এবং ইউএস সয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

আমদানিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে মেঘনা গ্রুপ

তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ একাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০ লাখ টন সয়াবিন বীজ আমদানি করবে—যা পুরো চুক্তির প্রায় অর্ধেক। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একক কোনো কোম্পানির সবচেয়ে বড় কৃষিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরেই ভোজ্যতেল, পশুখাদ্য এবং কৃষিপণ্যে দেশের শীর্ষ আমদানিকারক ও প্রক্রিয়াজাতকারী হিসেবে পরিচিত।

মেঘনা গ্রুপের পরিচালক তানজিমা বিনতে মোস্তফা বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন আমদানির মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পশুখাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল ও টেকসই করতে চাই। এটি শুধু একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়, বরং দেশের খাদ্যশিল্পে এক দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।”

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি জ্যাকবসন। তিনি বলেন, “আমরা শুধু কৃষিপণ্য নয়, বরং দুই দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের দিকে নজর দিচ্ছি। কৃষি এই সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”

তিনি আরও জানান, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার, যা এ বছর বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার ভাষায়, “আমরা ৩৫০ মিলিয়ন ডলার থেকে ১ বিলিয়নে পৌঁছেছি—এটি বাংলাদেশের বাজারের শক্তি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার প্রমাণ।”

শিল্প উদ্যোক্তাদের মতামত

ডেল্টা অ্যাগ্রোফুড

ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্যের মান সব সময়ই সর্বোচ্চ পর্যায়ের। আমরা বিশ্বাস করি, এ সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।”

তার মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। তবে এলপিজি, অপরিশোধিত তেল এবং সয়াবিন আমদানির সুযোগ বাড়লে এই ঘাটতি কমে গিয়ে প্রায় ৩.বিলিয়ন ডলারের পারস্পরিক বাণিজ্যে রূপ নিতে পারে।

সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাসান বলেন, “খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলে গুণগত মান ও টেকসই নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ভোজ্যতেল ও পশুখাদ্য খাতে সয়াবিন একটি কৌশলগত উপাদান, যার ওপর নির্ভর করে দেশের খাদ্যশিল্পের একটি বড় অংশ।”

সয়াবিন আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ মূলত ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন বীজ আমদানি করে থাকে। গত অর্থবছরে মোট ১৭ লাখ ৩৫ হাজার টন সয়াবিন আমদানি করা হয়, যার বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৭৮ কোটি ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হয়েছিল ৩৫ কোটি ডলারের সয়াবিন বীজ

নতুন এই ১০০ কোটি ডলারের এলওআই সইয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কৃষিপণ্য সরবরাহকারীতে পরিণত হলো। এটি শুধু বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি নয়, বরং খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি বিকল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পে নতুন বিনিয়োগের পথ খুলে দিচ্ছে।

কৃষি শিল্পে প্রভাব

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই আমদানির ফলে দেশের ভোজ্যতেল শিল্পে কাঁচামালের ঘাটতি কমবে, পশুখাদ্য উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষক পর্যায়ে সয়াবিন তেল উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা কমে আসবে। একইসঙ্গে এটি ডলার ভিত্তিক আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।

বাংলাদেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টন সয়াবিন বীজের চাহিদা রয়েছে। এর অর্ধেকের বেশি আসে আমদানির মাধ্যমে। স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ থাকলেও প্রযুক্তিগত ও আবহাওগত সীমাবদ্ধতার কারণে এখনও তা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত কৃষি ব্যবস্থার দেশের ওপর নির্ভরতা আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই এলওআই সইয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে কৃষি বাণিজ্যের নতুন অধ্যায় শুরু হলো। এটি শুধু সয়াবিন আমদানির চুক্তি নয়—বরং দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব, খাদ্যনিরাপত্তা ও শিল্পোন্নয়নের এক মাইলফলক।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সময়মতো এই পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত হলে বাংলাদেশের তেলশিল্প ও পশুখাদ্য খাতে আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যা দেশের ভোক্তা বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে।