জাকসু নির্বাচনের ফলাফল ম্যানিপুলেশনের অভিযোগ, স্ক্রিনশট ভাইরাল
- Update Time : ১২:৩০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ১৯৭ Time View

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে রাতভর চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা ও উত্তেজনা। ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়েছে একাধিক বিতর্কিত ঘটনা। প্রথমে ব্যালট বক্সের পেছনে ছাত্রদল নেতাদের অনুসরণ, পরে শাখা ছাত্রদলের নেতাদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভেতরে গোপন বৈঠক, এমনকি ঢাকা উত্তরের বিএনপি নেতাকে নিয়ে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতির নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে প্রবেশের ঘটনা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দেয়।
এর মধ্যেই নতুন করে অভিযোগ উঠেছে, বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের ব্যবহার করে জাকসু নির্বাচনের ফলাফল ম্যানিপুলেট করার পরিকল্পনা চলছে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়, যা ঘিরে ক্যাম্পাসে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ওই স্ক্রিনশটে দেখা যায়, মাহমুদ মুহাম্মদ নামের এক ব্যক্তি প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, জীববিজ্ঞানের ডিন অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার, প্রক্টর অধ্যাপক রাশেদুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা নাজমুল মানসুর এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক সোহেল রানাকে ট্যাগ করে একটি নির্দেশনামূলক বার্তা দিয়েছেন।
মেসেজটিতে বলা হয়,
“আগামীকাল জাকসুর নির্বাচনে ছাত্রদলকে যেন কোনো অভিযোগ-অনুযোগ নিয়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের কাছে যেতে না হয়। বরং শিবিরের প্রার্থীরা যেন অভিযোগ নিয়ে মিডিয়ার সামনে আসে—এটা এখানে থাকা জাতীয়তাবাদী শিক্ষকরা নিশ্চিত করবেন। আর কোন কোন কেন্দ্রে কোন কোন শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা এখানে জানানো হোক অথবা ছাত্রদলের প্যানেলকে জানানো হোক। আমরা খতিয়ে দেখতে চাই, তারা কাদের হয়ে কাজ করবে।”
স্ক্রিনশটটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এটিকে “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ” ও “শিক্ষকদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের প্রমাণ” বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে ছাত্রদলপন্থী শিক্ষার্থীরা দাবি করছে, এসব স্ক্রিনশট সাজানো এবং তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে প্রচার করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, নির্বাচন কমিশনকে এ বিষয়ে জরুরি ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে হবে।











