সময়: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ থেকে রেকর্ড দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১১:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৩৪ Time View

1b8654f40a60c5988da1f5a0e086fead 68be3fecce44b

1b8654f40a60c5988da1f5a0e086fead 68be3fecce44b

দেশের স্বর্ণের বাজারে আবারও নতুন রেকর্ড তৈরি হলো। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) এখন থেকে বিক্রি হবে লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে বাজুস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে এ নতুন দাম কার্যকর হবে।

নতুন দামের হার

বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী—

  • ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি: ১,৮১,৫৫০ টাকা
  • ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি: পূর্বের তুলনায় সমন্বয় করে নির্ধারণ করা হয়েছে (বিস্তারিত দাম বাজুস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ আছে)
  • ১৮ ক্যারেট সাধারণ মানের সোনার ভরি: একইভাবে বাড়ানো হয়েছে

এবার শুধু ২২ ক্যারেট নয়, সব ধরনের স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয় বৃদ্ধি

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর বাজুস আরেক দফা দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ৩ হাজার ৪৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় লাখ ৭৮ হাজার ৮৩২ টাকা। সেটিই ছিল দেশের ইতিহাসে এক ভরি স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। কিন্তু মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় আবারও দাম বাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়ল বাজুস।

দাম বৃদ্ধির কারণ

স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কিছুটা অস্থিতিশীল থাকলেও দেশের বাজারে বিশুদ্ধ সোনার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। আমদানি ব্যয়, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং তেজাবি সোনার দাম বাড়ার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে। ফলে বাজুস নিয়মিতভাবে দামের সমন্বয় করছে।

বাজারে প্রভাব

স্বর্ণের দাম বাড়ায় সাধারণ ক্রেতারা বিব্রত হলেও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। অনেক ক্রেতা এখন নতুন স্বর্ণ কেনার পরিবর্তে পুরোনো স্বর্ণ বিক্রি বা বিনিময়ের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে অলংকারের দোকানগুলোতে কেনার চেয়ে বিক্রির প্রবণতা বেড়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টাকার অবমূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা চলতে থাকলে সামনে স্বর্ণের দাম আরও বাড়তে পারে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আজ থেকে রেকর্ড দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ

Update Time : ১১:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

1b8654f40a60c5988da1f5a0e086fead 68be3fecce44b

দেশের স্বর্ণের বাজারে আবারও নতুন রেকর্ড তৈরি হলো। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) এখন থেকে বিক্রি হবে লাখ ৮১ হাজার ৫৫০ টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে বাজুস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে এ নতুন দাম কার্যকর হবে।

নতুন দামের হার

বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী—

  • ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি: ১,৮১,৫৫০ টাকা
  • ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি: পূর্বের তুলনায় সমন্বয় করে নির্ধারণ করা হয়েছে (বিস্তারিত দাম বাজুস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ আছে)
  • ১৮ ক্যারেট সাধারণ মানের সোনার ভরি: একইভাবে বাড়ানো হয়েছে

এবার শুধু ২২ ক্যারেট নয়, সব ধরনের স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয় বৃদ্ধি

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর বাজুস আরেক দফা দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ৩ হাজার ৪৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় লাখ ৭৮ হাজার ৮৩২ টাকা। সেটিই ছিল দেশের ইতিহাসে এক ভরি স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। কিন্তু মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় আবারও দাম বাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়ল বাজুস।

দাম বৃদ্ধির কারণ

স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কিছুটা অস্থিতিশীল থাকলেও দেশের বাজারে বিশুদ্ধ সোনার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। আমদানি ব্যয়, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং তেজাবি সোনার দাম বাড়ার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে। ফলে বাজুস নিয়মিতভাবে দামের সমন্বয় করছে।

বাজারে প্রভাব

স্বর্ণের দাম বাড়ায় সাধারণ ক্রেতারা বিব্রত হলেও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। অনেক ক্রেতা এখন নতুন স্বর্ণ কেনার পরিবর্তে পুরোনো স্বর্ণ বিক্রি বা বিনিময়ের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে অলংকারের দোকানগুলোতে কেনার চেয়ে বিক্রির প্রবণতা বেড়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টাকার অবমূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা চলতে থাকলে সামনে স্বর্ণের দাম আরও বাড়তে পারে।