তিনটায় যমুনায় যাচ্ছে না বিএনপি, সময় পিছিয়ে সন্ধ্যায়
- Update Time : ১২:১৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
- / ১২৪ Time View

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আজ বিকাল তিনটায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে নির্দিষ্ট সময়ে বৈঠকে যোগ দেওয়া সম্ভব হবে না বলে বিএনপি প্রতিনিধি দল বৈঠকের সময় পিছিয়ে সন্ধ্যায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্প্রতি উত্তেজনা ও মতবিরোধ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই বৈঠকটি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জুলাই সনদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এরই মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস রবিবার সারাদিন ধরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ করছেন।
সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বৈঠকে অংশগ্রহণের সময় পিছিয়ে সন্ধ্যার পর নির্ধারণ করা হলেও একই দিনে বিকাল সাড়ে চারটায় জামায়াতে ইসলামী নেতাদের সঙ্গে এবং সন্ধ্যা ছয়টায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব বৈঠকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন, নিরপেক্ষ পরিবেশ সৃষ্টি, রাজনৈতিক সংকট নিরসনের উপায় এবং জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী দলগুলোর ধারাবাহিক আন্দোলন ও গণসমাবেশে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, এই সংলাপ প্রক্রিয়া হয়তো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য একটি সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারে।
বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে একটি নিরপেক্ষ, অবাধ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। দলটির নেতৃত্ব মনে করছে, এই বৈঠক সরকারের সঙ্গে আলোচনার একটি নতুন সুযোগ এনে দিতে পারে। যদিও দলীয় নেতারা বৈঠকে যোগ দিতে দেরি করলেও তারা আলোচনায় তাদের দাবি জোরালোভাবে উপস্থাপন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয়, এই বৈঠকগুলো দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনের একটি বড় পদক্ষেপ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে এই সংলাপ কার্যকর সমাধানের পথ দেখায়, তবে এটি আগামী নির্বাচনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে মাইলফলক হয়ে দাঁড়াতে পারে।











