ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সম্পৃক্ত হবে না সেনাবাহিনী : আইএসপিআর
- Update Time : ০৬:১৪:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
- / ১২৯ Time View

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী কোনোভাবেই সম্পৃক্ত থাকবে না বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) আইএসপিআর-এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়।
গুজবের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বার্তা
আইএসপিআর জানায়, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ ও গুজব প্রচারিত হচ্ছে। এসব তথ্য সেনাবাহিনীর দৃষ্টিগোচর হওয়ায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও এসব নির্বাচনে সেনাবাহিনী সম্পৃক্ত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর উল্লেখ করে যে, আসন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করা সম্ভব। সেনাবাহিনী এই নির্বাচনগুলোকে সফলভাবে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি শুভকামনা জানিয়েছে।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব
বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক ছাত্ররাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলো সাধারণত বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের শক্তি প্রদর্শনের একটি বড় মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহিংসতা, নির্বাচন বর্জন এবং ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্ররাজনীতির প্রতি শিক্ষার্থীদের আস্থায় ভাটা পড়েছে।
তবে এবারের নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনী মোতায়েনের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। আইএসপিআর-এর এই স্পষ্ট ঘোষণার ফলে গুজবের অবসান ঘটল বলে মনে করছেন শিক্ষা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সেনাবাহিনীর অবস্থান
আইএসপিআর-এর বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বরাবরের মতো দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত। সেনাবাহিনী এ বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান বজায় রেখেছে এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী











