সময়: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার রিকশাচালক আজিজুর রহমান অবশেষে জামিনে মুক্ত

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৬৯ Time View

82161060c1e6fa3fcea3798716453c50 68a1b5a1c82ec

82161060c1e6fa3fcea3798716453c50 68a1b5a1c82ec
 রিকশাচালক আজিজুর রহমান

৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে কারাগারে যাওয়া সেই রিকশাচালক আজিজুর রহমান অবশেষে জামিন পেয়েছেন।শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে গিয়ে এক অঘটনের শিকার হন এই শ্রমজীবী মানুষ। গণপিটুনির পর পুলিশ তাকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। এরই মধ্যে আদালতে শুনানি শেষে তার মুক্তির পথ সুগম হলো।

রোববার (১৭ আগস্ট) দুপুরে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করেন। এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখী আদালতের কাছে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা গ্রহণ করেন। এর ফলে কয়েকদিনের কারাবাস শেষে ঘরে ফেরার সুযোগ পেলেন আজিজুর রহমান।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ফুল নিয়ে যান। সেখানে উপস্থিত কিছু লোকজন তাকে ‘সন্দেহভাজন’ হিসেবে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং আজিজুরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

শনিবার তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জেনিফার জেরিনের আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান আদালতে তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেছিলেন। আদালত সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে তাকে রিমান্ডে না পাঠিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঘটনাটি সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একজন সাধারণ রিকশাচালক শুধুমাত্র ফুল নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে গণপিটুনি, গ্রেপ্তার ও কারাবাসের শিকার হওয়া মানবাধিকার ও নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, রাষ্ট্রের প্রতীকী স্থানে শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া কোনো নাগরিকের এমন পরিণতি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

আপনি চাইলে আমি এই প্রতিবেদনটিকে আরও অনুসন্ধানধর্মীভাবে তৈরি করে দিতে পারি—যেখানে আইনি প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও মানবাধিকার সংস্থার মতামত যোগ করা হবে। চাইলে কি আমি সেটি করে দেব?

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার রিকশাচালক আজিজুর রহমান অবশেষে জামিনে মুক্ত

Update Time : ০৫:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
82161060c1e6fa3fcea3798716453c50 68a1b5a1c82ec
 রিকশাচালক আজিজুর রহমান

৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে কারাগারে যাওয়া সেই রিকশাচালক আজিজুর রহমান অবশেষে জামিন পেয়েছেন।শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে গিয়ে এক অঘটনের শিকার হন এই শ্রমজীবী মানুষ। গণপিটুনির পর পুলিশ তাকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। এরই মধ্যে আদালতে শুনানি শেষে তার মুক্তির পথ সুগম হলো।

রোববার (১৭ আগস্ট) দুপুরে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করেন। এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখী আদালতের কাছে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা গ্রহণ করেন। এর ফলে কয়েকদিনের কারাবাস শেষে ঘরে ফেরার সুযোগ পেলেন আজিজুর রহমান।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ফুল নিয়ে যান। সেখানে উপস্থিত কিছু লোকজন তাকে ‘সন্দেহভাজন’ হিসেবে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং আজিজুরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

শনিবার তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জেনিফার জেরিনের আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান আদালতে তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেছিলেন। আদালত সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে তাকে রিমান্ডে না পাঠিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঘটনাটি সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একজন সাধারণ রিকশাচালক শুধুমাত্র ফুল নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে গণপিটুনি, গ্রেপ্তার ও কারাবাসের শিকার হওয়া মানবাধিকার ও নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, রাষ্ট্রের প্রতীকী স্থানে শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া কোনো নাগরিকের এমন পরিণতি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

আপনি চাইলে আমি এই প্রতিবেদনটিকে আরও অনুসন্ধানধর্মীভাবে তৈরি করে দিতে পারি—যেখানে আইনি প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও মানবাধিকার সংস্থার মতামত যোগ করা হবে। চাইলে কি আমি সেটি করে দেব?