সময়: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যসহ নিহত ৪: নিউ ইয়র্কে অফিস ভবনে রক্তক্ষয়ী ট্র্যাজেডি

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১১:৪৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
  • / ১৫০ Time View

1753763534 d82319912041449cd31bdb7e7569d171

1753763534 d82319912041449cd31bdb7e7569d171

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে মর্মান্তিক এক বন্দুক হামলার ঘটনায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক পুলিশ সদস্যসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এই নৃশংস হামলা ঘটে ম্যানহাটনের একটি বহুতল অফিস ভবনে, যেখানে বিশ্ববিখ্যাত কিছু কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ও রয়েছে। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস সংবাদ সম্মেলনে জানান, নিহত পুলিশ সদস্যের নাম দিদারুল ইসলাম (৩৬)। তিনি প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টে (NYPD) কর্মরত ছিলেন এবং বাংলাদেশ থেকে আগত একজন গর্বিত অভিবাসী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। মেয়র অ্যাডামস বলেন, “তিনি শুধু একজন পুলিশ সদস্যই নন, বরং ছিলেন একজন বীর, যিনি দায়িত্ব পালনের সময় জীবন উৎসর্গ করেছেন।” তিনি আরও জানান, হামলার সময় পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন, যাদের মধ্যে চারজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিদারুল ইসলাম একজন পারিবারিক মানুষ ছিলেন। তার রয়েছে দুটি সন্তান এবং তার স্ত্রী বর্তমানে তৃতীয় সন্তানের মা হতে চলেছেন। এমন এক সময়ে তার অকাল মৃত্যু পুরো পরিবার ও সম্প্রদায়ের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, দিদারুল কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন, যা তাকে একজন “সত্যিকারের নায়ক” হিসেবে স্মরণীয় করে রাখবে।

হামলাকারী, যিনি মাত্র ২৭ বছর বয়সী বলে জানা গেছে, একটি আধুনিক রাইফেল হাতে নিয়ে আচমকাই ম্যানহাটনের ৪৫ পার্ক অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত একটি আকাশচুম্বী ভবনে প্রবেশ করেন। এই ভবনটি ব্ল্যাকস্টোন, এনএফএল, কেপিএমজি, ডয়চে ব্যাংক, এবং আয়ারল্যান্ডের কনস্যুলেট জেনারেলের মতো প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ভবনে প্রবেশ করেই তিনি গুলি ছুঁড়তে শুরু করেন এবং ঘটনাস্থলেই পুলিশ সদস্য দিদারুল ইসলামসহ আরও তিনজনকে হত্যা করেন। পরে ভবনের একটি ফ্লোরে সন্দেহভাজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

এই ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং ভবনটির আশপাশে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটসহ বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা তল্লাশি চালান এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং প্রাথমিকভাবে এটিকে পরিকল্পিত হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং মানবাধিকার সংগঠন এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করেছে। নিউ ইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশিরা দিদারুল ইসলামের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাস্তায় মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রার্থনা করেন।

এই ট্র্যাজেডি কেবল নিউ ইয়র্ক সিটিকেই নয়, গোটা আমেরিকা এবং বিশ্বের শান্তিপ্রিয় মানুষদের মনে নাড়া দিয়েছে। এটি আবারও প্রমাণ করে, যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক সহিংসতা কতটা গভীর সংকটে পৌঁছেছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কতটা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। বন্দুক সহিংসতার অবসানে নীতিনির্ধারকদের আরও কঠোর ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

Untitled 2

বন্দুক হাতে নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি

স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের ব্যস্ততম এলাকায় ভয়াবহ এক বন্দুক হামলার ঘটনায় চরম বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। মিডটাউনের অফিস ব্লকে, যেখানে বহু কর্মী দিনের শেষে খাবার সংগ্রহে ব্যস্ত ছিলেন, হঠাৎই গুলির বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লোকজন আতঙ্কে দৌড়াতে শুরু করে। একজন বিবিসি সাংবাদিক জানান, “আমি দেখলাম একজনকে স্ট্রেচারে করে নেওয়া হচ্ছে, তার বুকে ব্যান্ডেজ বাঁধা ছিল।”

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বরাতে জানা গেছে, হামলাকারী হিসেবে ২৭ বছর বয়সী শেন তামুরার নাম শনাক্ত করা হয়েছে, যিনি লাস ভেগাসের বাসিন্দা। এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার জানান, তামুরার গাড়ি থেকে একটি এম-৪ রাইফেল, একটি রিভলবার এবং গুলিভর্তি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে। তার কাছে নেভাদার বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্সও ছিল।

নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে (যুক্তরাজ্যের সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে) তামুরা স্পোর্টস কোট ও শার্ট পরে, হাতে একটি বড় অ্যাসল্ট রাইফেল নিয়ে ৩৬৫ পার্ক অ্যাভিনিউয়ের একটি অফিস ভবনে প্রবেশ করেন। পরে ভবনের ৩৩তম তলায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।

এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ জানান, বন্দুকধারীর মৃত্যু হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নিউ ইয়র্কের মেয়র এরিক অ্যাডামস এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “গুলিতে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন, তবে তাদের আঘাতের মাত্রা এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।” সিএনএন জানায়, সন্দেহভাজনের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড পাওয়া যায়নি।

হামলার উদ্দেশ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাস ভেগাস পুলিশ জানিয়েছে, তামুরার মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য তাদের নথিভুক্ত রয়েছে। এফবিআই-এর নিউ ইয়র্ক ফিল্ড অফিসও তদন্তে সহায়তা করছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে নিউ ইয়র্কের সিনেটর চাক শুমার এবং কার্স্টেন গিলিব্র্যান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: সিএনএন, বিবিসি

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যসহ নিহত ৪: নিউ ইয়র্কে অফিস ভবনে রক্তক্ষয়ী ট্র্যাজেডি

Update Time : ১১:৪৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

1753763534 d82319912041449cd31bdb7e7569d171

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে মর্মান্তিক এক বন্দুক হামলার ঘটনায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক পুলিশ সদস্যসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এই নৃশংস হামলা ঘটে ম্যানহাটনের একটি বহুতল অফিস ভবনে, যেখানে বিশ্ববিখ্যাত কিছু কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ও রয়েছে। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস সংবাদ সম্মেলনে জানান, নিহত পুলিশ সদস্যের নাম দিদারুল ইসলাম (৩৬)। তিনি প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টে (NYPD) কর্মরত ছিলেন এবং বাংলাদেশ থেকে আগত একজন গর্বিত অভিবাসী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। মেয়র অ্যাডামস বলেন, “তিনি শুধু একজন পুলিশ সদস্যই নন, বরং ছিলেন একজন বীর, যিনি দায়িত্ব পালনের সময় জীবন উৎসর্গ করেছেন।” তিনি আরও জানান, হামলার সময় পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন, যাদের মধ্যে চারজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিদারুল ইসলাম একজন পারিবারিক মানুষ ছিলেন। তার রয়েছে দুটি সন্তান এবং তার স্ত্রী বর্তমানে তৃতীয় সন্তানের মা হতে চলেছেন। এমন এক সময়ে তার অকাল মৃত্যু পুরো পরিবার ও সম্প্রদায়ের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, দিদারুল কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন, যা তাকে একজন “সত্যিকারের নায়ক” হিসেবে স্মরণীয় করে রাখবে।

হামলাকারী, যিনি মাত্র ২৭ বছর বয়সী বলে জানা গেছে, একটি আধুনিক রাইফেল হাতে নিয়ে আচমকাই ম্যানহাটনের ৪৫ পার্ক অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত একটি আকাশচুম্বী ভবনে প্রবেশ করেন। এই ভবনটি ব্ল্যাকস্টোন, এনএফএল, কেপিএমজি, ডয়চে ব্যাংক, এবং আয়ারল্যান্ডের কনস্যুলেট জেনারেলের মতো প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ভবনে প্রবেশ করেই তিনি গুলি ছুঁড়তে শুরু করেন এবং ঘটনাস্থলেই পুলিশ সদস্য দিদারুল ইসলামসহ আরও তিনজনকে হত্যা করেন। পরে ভবনের একটি ফ্লোরে সন্দেহভাজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

এই ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং ভবনটির আশপাশে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটসহ বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা তল্লাশি চালান এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং প্রাথমিকভাবে এটিকে পরিকল্পিত হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং মানবাধিকার সংগঠন এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করেছে। নিউ ইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশিরা দিদারুল ইসলামের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাস্তায় মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রার্থনা করেন।

এই ট্র্যাজেডি কেবল নিউ ইয়র্ক সিটিকেই নয়, গোটা আমেরিকা এবং বিশ্বের শান্তিপ্রিয় মানুষদের মনে নাড়া দিয়েছে। এটি আবারও প্রমাণ করে, যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক সহিংসতা কতটা গভীর সংকটে পৌঁছেছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কতটা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। বন্দুক সহিংসতার অবসানে নীতিনির্ধারকদের আরও কঠোর ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

Untitled 2

বন্দুক হাতে নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি

স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের ব্যস্ততম এলাকায় ভয়াবহ এক বন্দুক হামলার ঘটনায় চরম বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। মিডটাউনের অফিস ব্লকে, যেখানে বহু কর্মী দিনের শেষে খাবার সংগ্রহে ব্যস্ত ছিলেন, হঠাৎই গুলির বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লোকজন আতঙ্কে দৌড়াতে শুরু করে। একজন বিবিসি সাংবাদিক জানান, “আমি দেখলাম একজনকে স্ট্রেচারে করে নেওয়া হচ্ছে, তার বুকে ব্যান্ডেজ বাঁধা ছিল।”

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বরাতে জানা গেছে, হামলাকারী হিসেবে ২৭ বছর বয়সী শেন তামুরার নাম শনাক্ত করা হয়েছে, যিনি লাস ভেগাসের বাসিন্দা। এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার জানান, তামুরার গাড়ি থেকে একটি এম-৪ রাইফেল, একটি রিভলবার এবং গুলিভর্তি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে। তার কাছে নেভাদার বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্সও ছিল।

নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে (যুক্তরাজ্যের সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে) তামুরা স্পোর্টস কোট ও শার্ট পরে, হাতে একটি বড় অ্যাসল্ট রাইফেল নিয়ে ৩৬৫ পার্ক অ্যাভিনিউয়ের একটি অফিস ভবনে প্রবেশ করেন। পরে ভবনের ৩৩তম তলায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।

এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ জানান, বন্দুকধারীর মৃত্যু হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নিউ ইয়র্কের মেয়র এরিক অ্যাডামস এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “গুলিতে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন, তবে তাদের আঘাতের মাত্রা এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।” সিএনএন জানায়, সন্দেহভাজনের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড পাওয়া যায়নি।

হামলার উদ্দেশ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাস ভেগাস পুলিশ জানিয়েছে, তামুরার মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য তাদের নথিভুক্ত রয়েছে। এফবিআই-এর নিউ ইয়র্ক ফিল্ড অফিসও তদন্তে সহায়তা করছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে নিউ ইয়র্কের সিনেটর চাক শুমার এবং কার্স্টেন গিলিব্র্যান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: সিএনএন, বিবিসি