সময়: বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুতুলের ডব্লিউএইচও’র পদ পাওয়ার অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৮:৪১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ১৬৭ Time View

144223 shsh

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালকের পদে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বুধবার ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুদক এ বিষয়ে প্রাথমিক তথ্যউপাত্ত যাচাইবাছাইয়ের পর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে এ অনুসন্ধানের জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।

অভিযোগের বিবরণ

দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ক্ষমতাকে অপব্যবহার করে পুতুলকে এই পদে নিয়োগ দিতে প্রভাব খাটিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ডব্লিউএইচও’র এই পদটি আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হওয়ার কথা। কিন্তু পুতুলের ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম, দুর্নীতি প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, তারিক সিদ্দিকী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে যে, এই অর্থ অবৈধভাবে বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়েছে। দুদক এই অর্থ পাচার চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কীভাবে এই অর্থ পাচার হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে।

দুদকের অনুসন্ধান টিম

দুদকের গঠিত অনুসন্ধান দলটি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখবে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে পুতুলের আর্থিক

লেনদেনের তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিদেশ ভ্রমণের রেকর্ড, এবং ডব্লিউএইচও নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব নথি সংগ্রহ করা হবে।

দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ডব্লিউএইচও আঞ্চলিক পরিচালক হওয়ার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ মিলেছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থায় অনিয়মের অভিযোগ গুরুতর

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ডব্লিউএইচও’র মতো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধরনের কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের পদে নিয়োগে স্বচ্ছতা ও যোগ্যতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যদি এই অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সরকারের অবস্থান

সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা বলেছেন, এটি বিরোধী দলের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র

তারা বলছেন, দুদকের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

পুতুলের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং তিনি ডব্লিউএইচও’র মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তবে সমালোচকরা মনে করেন, পুতুলের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই তিনি ডব্লিউএইচও গুরুত্বপূর্ণ পদে জায়গা পেয়েছেন।

অনেকে বলছেন, পুতুলের এই নিয়োগে সুবিধাবাদী মনোভাব কাজ করেছে।

দুদকের পরবর্তী পদক্ষেপ

দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, অনুসন্ধানের অগ্রগতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল তারিক সিদ্দিকীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতামত

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুদকের এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি করবে।

তারা বলছেন:

  1. আন্তর্জাতিক পদে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ প্রমাণিত হলে এটি দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে।
  2. দুদককে নিরপেক্ষ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় তদন্ত চালাতে হবে।
  3. এই অনুসন্ধান যদি সঠিকভাবে শেষ হয়, তবে এটি অর্থনৈতিক অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
  4. তবে যদি অনুসন্ধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়, তাহলে দুদকের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

 

ডব্লিউএইচও’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে দুদক। এর পাশাপাশি তারিক সিদ্দিকী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়েও অনুসন্ধান চলছে।

এখন দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক মহলের নজর থাকবে দুদকের অনুসন্ধানের দিকে। এই তদন্তের ফলাফল দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পুতুলের ডব্লিউএইচও’র পদ পাওয়ার অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক

Update Time : ০৮:৪১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালকের পদে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বুধবার ঢাকায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুদক এ বিষয়ে প্রাথমিক তথ্যউপাত্ত যাচাইবাছাইয়ের পর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে এ অনুসন্ধানের জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।

অভিযোগের বিবরণ

দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ক্ষমতাকে অপব্যবহার করে পুতুলকে এই পদে নিয়োগ দিতে প্রভাব খাটিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ডব্লিউএইচও’র এই পদটি আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হওয়ার কথা। কিন্তু পুতুলের ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম, দুর্নীতি প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, তারিক সিদ্দিকী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে যে, এই অর্থ অবৈধভাবে বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়েছে। দুদক এই অর্থ পাচার চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কীভাবে এই অর্থ পাচার হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে।

দুদকের অনুসন্ধান টিম

দুদকের গঠিত অনুসন্ধান দলটি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখবে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে পুতুলের আর্থিক

লেনদেনের তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিদেশ ভ্রমণের রেকর্ড, এবং ডব্লিউএইচও নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব নথি সংগ্রহ করা হবে।

দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ডব্লিউএইচও আঞ্চলিক পরিচালক হওয়ার প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ মিলেছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থায় অনিয়মের অভিযোগ গুরুতর

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ডব্লিউএইচও’র মতো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধরনের কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের পদে নিয়োগে স্বচ্ছতা ও যোগ্যতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যদি এই অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সরকারের অবস্থান

সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা বলেছেন, এটি বিরোধী দলের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র

তারা বলছেন, দুদকের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

পুতুলের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং তিনি ডব্লিউএইচও’র মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তবে সমালোচকরা মনে করেন, পুতুলের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই তিনি ডব্লিউএইচও গুরুত্বপূর্ণ পদে জায়গা পেয়েছেন।

অনেকে বলছেন, পুতুলের এই নিয়োগে সুবিধাবাদী মনোভাব কাজ করেছে।

দুদকের পরবর্তী পদক্ষেপ

দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, অনুসন্ধানের অগ্রগতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল তারিক সিদ্দিকীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতামত

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুদকের এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি করবে।

তারা বলছেন:

  1. আন্তর্জাতিক পদে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ প্রমাণিত হলে এটি দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে।
  2. দুদককে নিরপেক্ষ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় তদন্ত চালাতে হবে।
  3. এই অনুসন্ধান যদি সঠিকভাবে শেষ হয়, তবে এটি অর্থনৈতিক অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
  4. তবে যদি অনুসন্ধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়, তাহলে দুদকের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

 

ডব্লিউএইচও’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে দুদক। এর পাশাপাশি তারিক সিদ্দিকী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়েও অনুসন্ধান চলছে।

এখন দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক মহলের নজর থাকবে দুদকের অনুসন্ধানের দিকে। এই তদন্তের ফলাফল দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।