সময়: বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪৬তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৫ – ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের ‘সোলার আর্ক’ প্রকল্প প্রথম স্থান অর্জন করলো

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৮:৪৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৩১৩ Time View

IMG 20250113 WA0002

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার আয়োজনে ৪৬তম বিজ্ঞান প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত মেলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রকল্প হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। কলেজটির প্রদর্শিত প্রকল্পটির নাম ছিল সোলার আর্ক, যা নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

এই বিজ্ঞান মেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া CEO অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) । এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অধ্যাপক, শিক্ষার্থীরা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

 

প্রকল্পের পেছনে কারিগরি দল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের দলটি কলেজের মাননীয় অধ্যক্ষের দিকনির্দেশনায় মেলায় অংশগ্রহণ করে। দলটির পরিচালনায় ছিলেন কলেজের প্রখ্যাত চারজন শিক্ষক –

  • প্রফেসর মারুফ আহমেদ (প্রাণী বিজ্ঞান বিভাগ)
  • প্রফেসর আলাউদ্দিন আহমেদ (রসায়ন বিভাগ)
  • প্রফেসর মেহেদী হাসান (রসায়ন বিভাগ)
  • প্রফেসর ইয়ার হোসেন (পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ)

দলের অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ছিলেন –
নাবিল বিন বিলাল
নয়ন মিয়া
মিনহাজুল ইসলাম মাহিন
ত্রিমা
নীলা
মিম
হাওয়া

 

 

 

সোলার আর্কপ্রকল্পের গুরুত্ব

‘সোলার আর্ক’ প্রকল্পটি মূলত সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি নতুন উদ্ভাবনী কৌশল উপস্থাপন করে, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিশ্বের শক্তির চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই প্রকল্পে সৌরশক্তিকে একটি বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। প্রকল্পটি যদি বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে এটি বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলা করতে পারে এবং গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তেল, গ্যাস বা কয়লার মতো প্রথাগত শক্তির উৎসগুলোর উপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির এই ব্যবস্থাপনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করবে। বিশেষত বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সূর্যালোক পাওয়া যায়, সেখানে সৌরশক্তির যথাযথ ব্যবহার বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। প্রকল্পটি শুধু পরিবেশ সুরক্ষা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই ‘সোলার আর্ক’ প্রকল্পটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে বিবেচিত হচ্ছে, যা নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে এগিয়ে নিতে উৎসাহিত করবে।

 

 

id="attachment_1627" aria-describedby="caption-attachment-1627" style="width: 1040px" class="wp-caption alignnone">
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী নাবিল বিন বিলাল বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

 

বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে তৃতীয় স্থান অর্জন

বিজ্ঞান মেলার পাশাপাশি আয়োজিত বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী নাবিল বিন বিলাল তার অসাধারণ দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন এবং বিজ্ঞান বিষয়ক জ্ঞান ও সমস্যার সমাধান প্রদর্শন করেন। কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যেও নাবিল নিজের জ্ঞান, দ্রুত চিন্তা করার ক্ষমতা এবং সৃজনশীলতা দিয়ে বিচারকদের মুগ্ধ করে তৃতীয় স্থান অর্জন করতে সক্ষম হন। তার এই অর্জন শুধু কলেজের গর্ব নয়, বরং ভবিষ্যতে বিজ্ঞান চর্চায় তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। নাবিলের এই সাফল্য প্রমাণ করে যে, সঠিক দিকনির্দেশনা ও চেষ্টার মাধ্যমে যেকোনো শিক্ষার্থী নিজেদের দক্ষতাকে আরো উচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে পারে। বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে তৃতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে নাবিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার যে ইচ্ছাশক্তি প্রদর্শন করেছেন, তা ভবিষ্যতে তাকে আরও বড় মঞ্চে সফলতা অর্জনের পথে নিয়ে যাবে। এই ধরনের প্রতিযোগিতা শুধু শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে ভূমিকা রাখে না, বরং তাদের চিন্তাশক্তি, গবেষণামূলক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানের সক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের এই সাফল্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের নতুন উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ করবে। নবীন প্রজন্মের এই ধরনের অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে। সোলার আর্কপ্রকল্পটি নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব পৃথিবী গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের এই অর্জন গর্বের বিষয় এবং এটি সারা দেশে বিজ্ঞান চর্চাকে আরো উজ্জীবিত করবে।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

৪৬তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৫ – ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের ‘সোলার আর্ক’ প্রকল্প প্রথম স্থান অর্জন করলো

Update Time : ০৮:৪৬:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার আয়োজনে ৪৬তম বিজ্ঞান প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত মেলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রকল্প হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। কলেজটির প্রদর্শিত প্রকল্পটির নাম ছিল সোলার আর্ক, যা নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

এই বিজ্ঞান মেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া CEO অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) । এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অধ্যাপক, শিক্ষার্থীরা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

 

প্রকল্পের পেছনে কারিগরি দল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের দলটি কলেজের মাননীয় অধ্যক্ষের দিকনির্দেশনায় মেলায় অংশগ্রহণ করে। দলটির পরিচালনায় ছিলেন কলেজের প্রখ্যাত চারজন শিক্ষক –

  • প্রফেসর মারুফ আহমেদ (প্রাণী বিজ্ঞান বিভাগ)
  • প্রফেসর আলাউদ্দিন আহমেদ (রসায়ন বিভাগ)
  • প্রফেসর মেহেদী হাসান (রসায়ন বিভাগ)
  • প্রফেসর ইয়ার হোসেন (পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ)

দলের অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ছিলেন –
নাবিল বিন বিলাল
নয়ন মিয়া
মিনহাজুল ইসলাম মাহিন
ত্রিমা
নীলা
মিম
হাওয়া

 

 

 

সোলার আর্কপ্রকল্পের গুরুত্ব

‘সোলার আর্ক’ প্রকল্পটি মূলত সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি নতুন উদ্ভাবনী কৌশল উপস্থাপন করে, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিশ্বের শক্তির চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই প্রকল্পে সৌরশক্তিকে একটি বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। প্রকল্পটি যদি বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে এটি বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলা করতে পারে এবং গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তেল, গ্যাস বা কয়লার মতো প্রথাগত শক্তির উৎসগুলোর উপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির এই ব্যবস্থাপনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করবে। বিশেষত বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সূর্যালোক পাওয়া যায়, সেখানে সৌরশক্তির যথাযথ ব্যবহার বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। প্রকল্পটি শুধু পরিবেশ সুরক্ষা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কমিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই ‘সোলার আর্ক’ প্রকল্পটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে বিবেচিত হচ্ছে, যা নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে এগিয়ে নিতে উৎসাহিত করবে।

 

 

id="attachment_1627" aria-describedby="caption-attachment-1627" style="width: 1040px" class="wp-caption alignnone">
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী নাবিল বিন বিলাল বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

 

বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে তৃতীয় স্থান অর্জন

বিজ্ঞান মেলার পাশাপাশি আয়োজিত বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী নাবিল বিন বিলাল তার অসাধারণ দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন এবং বিজ্ঞান বিষয়ক জ্ঞান ও সমস্যার সমাধান প্রদর্শন করেন। কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্যেও নাবিল নিজের জ্ঞান, দ্রুত চিন্তা করার ক্ষমতা এবং সৃজনশীলতা দিয়ে বিচারকদের মুগ্ধ করে তৃতীয় স্থান অর্জন করতে সক্ষম হন। তার এই অর্জন শুধু কলেজের গর্ব নয়, বরং ভবিষ্যতে বিজ্ঞান চর্চায় তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। নাবিলের এই সাফল্য প্রমাণ করে যে, সঠিক দিকনির্দেশনা ও চেষ্টার মাধ্যমে যেকোনো শিক্ষার্থী নিজেদের দক্ষতাকে আরো উচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে পারে। বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে তৃতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে নাবিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার যে ইচ্ছাশক্তি প্রদর্শন করেছেন, তা ভবিষ্যতে তাকে আরও বড় মঞ্চে সফলতা অর্জনের পথে নিয়ে যাবে। এই ধরনের প্রতিযোগিতা শুধু শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে ভূমিকা রাখে না, বরং তাদের চিন্তাশক্তি, গবেষণামূলক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানের সক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের এই সাফল্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের নতুন উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ করবে। নবীন প্রজন্মের এই ধরনের অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে। সোলার আর্কপ্রকল্পটি নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব পৃথিবী গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের এই অর্জন গর্বের বিষয় এবং এটি সারা দেশে বিজ্ঞান চর্চাকে আরো উজ্জীবিত করবে।