সময়: বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাতের অভিযোগ, যুক্তরাজ্যে টিউলিপকে জিজ্ঞাসাবাদ

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ১৭৬ Time View

TULIP 1

 

বাংলাদেশের অবকাঠামো প্রকল্প থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির মন্ত্রী এবং শেখ হাসিনার বোনের মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন দেশটির মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ন্যায় ও নৈতিকতা দলের কর্মকর্তারা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প থেকে শেখ হাসিনার পরিবার প্রায় ৪ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিক তার খালা শেখ হাসিনাকে রাশিয়ার সাথে এই দুর্নীতিগ্রস্ত চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়তা করেছেন।

টিউলিপ সিদ্দিক বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকারের ইকোনোমিক সেক্রেটারি টু দি ট্রেজারি অ্যান্ড সিটি মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার কাজ মূলত যুক্তরাজ্যের অর্থবাজারে স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার টিউলিপ সিদ্দিকের অফিসে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ন্যায় ও নৈতিকতা দলের (পিইটি) একজন কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, বাংলাদেশের রূপপুর প্রকল্পের ১০ বিলিয়ন পাউন্ডের মধ্যে ৪ বিলিয়ন পাউন্ড দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাত করা হয়েছে।

টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে এর আগেও বিতর্কিত নানা অভিযোগ ওঠে। গত ১৯ ডিসেম্বর তিনি একটি আর্থিক দুর্নীতির ঘটনায় ব্রিটিশ গণমাধ্যমে নেতিবাচক শিরোনাম হয়েছিলেন। টিউলিপ সিদ্দিক, যিনি চারবারের নির্বাচিত এমপি এবং লেবার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, তাকে নিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে এর আগেও বিতর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

এ ঘটনার পর বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শেখ হাসিনার পরিবারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

উল্লেখ্য: রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এই প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ দেশের জনগণের কাছে হতাশার কারণ হয়ে উঠেছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

৪ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাতের অভিযোগ, যুক্তরাজ্যে টিউলিপকে জিজ্ঞাসাবাদ

Update Time : ০৬:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

 

বাংলাদেশের অবকাঠামো প্রকল্প থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির মন্ত্রী এবং শেখ হাসিনার বোনের মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন দেশটির মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ন্যায় ও নৈতিকতা দলের কর্মকর্তারা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প থেকে শেখ হাসিনার পরিবার প্রায় ৪ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিক তার খালা শেখ হাসিনাকে রাশিয়ার সাথে এই দুর্নীতিগ্রস্ত চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়তা করেছেন।

টিউলিপ সিদ্দিক বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লেবার সরকারের ইকোনোমিক সেক্রেটারি টু দি ট্রেজারি অ্যান্ড সিটি মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার কাজ মূলত যুক্তরাজ্যের অর্থবাজারে স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার টিউলিপ সিদ্দিকের অফিসে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ন্যায় ও নৈতিকতা দলের (পিইটি) একজন কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, বাংলাদেশের রূপপুর প্রকল্পের ১০ বিলিয়ন পাউন্ডের মধ্যে ৪ বিলিয়ন পাউন্ড দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাত করা হয়েছে।

টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে এর আগেও বিতর্কিত নানা অভিযোগ ওঠে। গত ১৯ ডিসেম্বর তিনি একটি আর্থিক দুর্নীতির ঘটনায় ব্রিটিশ গণমাধ্যমে নেতিবাচক শিরোনাম হয়েছিলেন। টিউলিপ সিদ্দিক, যিনি চারবারের নির্বাচিত এমপি এবং লেবার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, তাকে নিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে এর আগেও বিতর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

এ ঘটনার পর বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শেখ হাসিনার পরিবারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

উল্লেখ্য: রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এই প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ দেশের জনগণের কাছে হতাশার কারণ হয়ে উঠেছে।