সময়:
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
বিশ্বব্যাংকের ৪৫ কোটি ডলারের ঋণ: ব্যাংক খাতের সংস্কার হবে, নাকি আবারও লুটপাটের নতুন অধ্যায়?
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত আজ এক গভীর আস্থার সংকটে নিমজ্জিত। একসময় দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত এই খাত এখন খেলাপি
ব্যাংক লুটের রাজনীতি: আমানতকারীদের অর্থ কি চিরকালই ক্ষমতাবানদের শিকার হবে?
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত আজ এক গভীর আস্থার সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। সাধারণ মানুষ তাদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যাংকে জমা রাখেন
বাংলাদেশ কি ‘অ্যান্টি–এস আলম ল’করবে?লুটেরাদের বিরুদ্ধে বিশ্ব যা করেছে,বাংলাদেশ কি তা পারবে?
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—রাষ্ট্র কি শেষ পর্যন্ত ব্যাংক ডাকাতদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, নাকি আইনের ফাঁক রেখে আবারও
অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত ত্রুটি না রাষ্ট্রীয় দুর্বলতা—এস আলমের মামলায় বাংলাদেশ কেন কাঠগড়ায়?
যে দেশে বছরের পর বছর ধরে অর্থ পাচার, ব্যাংক লুট, ঋণখেলাপি সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় করপোরেট দস্যুতার অভিযোগ পাহাড়সম হয়ে
ব্যাংক লুটের দায় কার? আর্থিক সংস্কার না কি আমানতকারীর সঙ্গে প্রতারণা
আধুনিক অর্থ ব্যবস্থাপনায় ব্যাংক খাতকে যেকোনো দেশের অর্থনীতির ‘লাইফ লাইন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শিল্প, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে
আমরা কী এমন এক দেশে বাস করি, যেখানে নাগরিকের সম্পদ, অর্থ ও নিরাপত্তার কোনো গ্যারান্টি নেই?
বাংলাদেশে বর্তমানে এমন এক ভয়ংকর বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছি, যেখানে সাধারণ নাগরিকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সম্পদের সুরক্ষা এবং ন্যায়ের কোনো নিশ্চয়তা নেই।












