খামেনিকে হত্যা, পাকিস্তানে মার্কিন কনস্যুলেটে তাণ্ডব, হামলা ও সংঘর্ষ
- Update Time : ০২:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
- / ১৬৬ Time View

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন—এমন তথ্য ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশের পর দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত ওই খবরে বলা হয়, অতর্কিত হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
এই ঘটনার জেরে পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচি-তে বিক্ষোভ শুরু হয়। রোববার শত শত মানুষ শহরের মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে উত্তেজিত বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ কনস্যুলেট ভবনে ঢোকার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেটের বাইরের এলাকায় জড়ো হয়ে স্লোগান দিচ্ছেন এবং পাথর নিক্ষেপ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। আরেকটি ভিডিওতে কনস্যুলেট প্রাঙ্গণের ভেতরে কিছু ব্যক্তিকে জানালা ও দরজার কাচ ভাঙতে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভবনের একটি অংশে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক বার্তায় ইরানকে সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে কোনো প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, ইরান বড় ধরনের আঘাত হানার ইঙ্গিত দিয়েছে, তবে তা থেকে বিরত থাকাই তাদের জন্য উত্তম হবে। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র নজিরবিহীন শক্তি প্রয়োগ করবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
ঘটনাপ্রবাহ মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই উত্তেজনা যদি কূটনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
















