সময়: রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রহস্যময় এপস্টেইন ইস্যুতে মুখ খুললেন ট্রাম্প, সামনে এগোনোর আহ্বান

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৩:০০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৩৫ Time View
ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টেইন। ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত দুই মাসে কুখ্যাত ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে যৌন পাচার–সংক্রান্ত তদন্তের লাখ লাখ নথি প্রকাশ করার পর বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় অবশেষে এপস্টেইন প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত এখন এই বিষয় পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়া। খবর জানিয়েছে বিবিসি।

গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তাঁর মতে এখন দেশের জন্য অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার সময় এসেছে। এপস্টেইন–সংক্রান্ত কোনো অনিয়মের অভিযোগ তিনি আগেও যেমন অস্বীকার করেছেন, এবারও তেমনই জোর দিয়ে বলেন, “আমার সম্পর্কে কিছুই বের হয়নি।”

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি প্রকাশিত নথিগুলোতে ছয় হাজারেরও বেশি বার ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম এসেছে। এপস্টেইন এবং তাঁর সহযোগীরা বিভিন্ন যোগাযোগ ও নথিতে ঘন ঘন ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করেছেন বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউইয়র্ক সিটি ও ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচের বাসিন্দা ট্রাম্প ও এপস্টেইনের মধ্যে নব্বইয়ের দশকের বেশিরভাগ সময়জুড়ে ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়। তবে ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ২০০০ সালের শুরুর দিক থেকেই তাঁদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। গত ডিসেম্বরে প্রকাশিত একটি ইমেইল নতুন করে আলোচনায় আসে, যেখানে ট্রাম্পের নাম বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ জানিয়েছেন, কংগ্রেসে গত নভেম্বরে পাস হওয়া একটি আইনের আওতায় সরকার বাধ্যতামূলকভাবে এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করেছে এবং সেই প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তাঁর মতে, এসব নথিতে নতুন করে কোনো মামলা করার মতো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রোববার এক বক্তব্যে ব্ল্যাঞ্চ বলেন, “এখানে বিপুল পরিমাণ চিঠিপত্র, অসংখ্য ইমেইল ও অনেক ছবি রয়েছে। তবে সেগুলোর কোনোটিই কাউকে অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ দেয় না।”

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রহস্যময় এপস্টেইন ইস্যুতে মুখ খুললেন ট্রাম্প, সামনে এগোনোর আহ্বান

Update Time : ০৩:০০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টেইন। ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত দুই মাসে কুখ্যাত ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে যৌন পাচার–সংক্রান্ত তদন্তের লাখ লাখ নথি প্রকাশ করার পর বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় অবশেষে এপস্টেইন প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত এখন এই বিষয় পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়া। খবর জানিয়েছে বিবিসি।

গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তাঁর মতে এখন দেশের জন্য অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার সময় এসেছে। এপস্টেইন–সংক্রান্ত কোনো অনিয়মের অভিযোগ তিনি আগেও যেমন অস্বীকার করেছেন, এবারও তেমনই জোর দিয়ে বলেন, “আমার সম্পর্কে কিছুই বের হয়নি।”

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি প্রকাশিত নথিগুলোতে ছয় হাজারেরও বেশি বার ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম এসেছে। এপস্টেইন এবং তাঁর সহযোগীরা বিভিন্ন যোগাযোগ ও নথিতে ঘন ঘন ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করেছেন বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউইয়র্ক সিটি ও ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচের বাসিন্দা ট্রাম্প ও এপস্টেইনের মধ্যে নব্বইয়ের দশকের বেশিরভাগ সময়জুড়ে ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়। তবে ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ২০০০ সালের শুরুর দিক থেকেই তাঁদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। গত ডিসেম্বরে প্রকাশিত একটি ইমেইল নতুন করে আলোচনায় আসে, যেখানে ট্রাম্পের নাম বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ জানিয়েছেন, কংগ্রেসে গত নভেম্বরে পাস হওয়া একটি আইনের আওতায় সরকার বাধ্যতামূলকভাবে এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করেছে এবং সেই প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তাঁর মতে, এসব নথিতে নতুন করে কোনো মামলা করার মতো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রোববার এক বক্তব্যে ব্ল্যাঞ্চ বলেন, “এখানে বিপুল পরিমাণ চিঠিপত্র, অসংখ্য ইমেইল ও অনেক ছবি রয়েছে। তবে সেগুলোর কোনোটিই কাউকে অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ দেয় না।”