এপস্টেইনের নথিতে বাংলাদেশের আইসিডিডিআরবির নাম, বিশ্বজুড়ে নতুন বিতর্ক
- Update Time : ১২:২২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১১১ Time View

যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লাখ লাখ নথি প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এসব নথির মধ্যে পাওয়া একটি ই-মেইলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবি (icddr,b)-এর নাম উঠে আসায় দেশেও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিপুল পরিমাণ নতুন ফাইল প্রকাশ করে। প্রকাশিত এসব নথিতে নতুন করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম সামনে আসে।

প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, এপস্টেইন ফাইলের অন্তর্ভুক্ত একটি ই-মেইলে আইসিডিডিআরবিকে বাংলাদেশে একটি ‘অতি সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ই-মেইলে আইসিডিডিআরবিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রোবায়োটিক গবেষণায় বিনিয়োগের একটি প্রস্তাবের কথাও উঠে এসেছে।
নথির বরাতে জানা যায়, ই-মেইলটির বিষয় ছিল ‘আন্ত্রিক জীবাণুবিদ্যা–আইসিডিডিআরবি’। ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল কুখ্যাত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনের কাছে তার এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর পক্ষ থেকে এই ই-মেইলটি পাঠানো হয়।
ই-মেইলে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে আইসিডিডিআরবিকে কেন্দ্র করে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে একটি গবেষণা উদ্যোগ গড়ে তোলা সম্ভব। সেখানে তুলনামূলকভাবে কম বিনিয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে উৎপাদিত যেকোনো প্রোবায়োটিক বা সংশ্লিষ্ট পণ্যের মুনাফা থেকে ৩ শতাংশ নিশ্চিত লাভ পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া আইসিডিডিআরবি একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ৫০১(সি)(৩) কাঠামোর আওতায় এ ধরনের বিনিয়োগ কর ছাড়ের সুবিধাও পেতে পারে বলে ওই ই-মেইলে বলা হয়েছে।
এপস্টেইন ফাইলে অন্তর্ভুক্ত আরেকটি ই-মেইলে দেখা যায়, এপস্টেইনের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ও ভারত সফর করেছিলেন। তবে ওই সফরের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কিংবা কী ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল—সে বিষয়ে প্রকাশিত নথিতে বিস্তারিত কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
এপস্টেইন সংক্রান্ত নতুন নথিতে আইসিডিডিআরবির নাম উঠে আসার ঘটনায় আন্তর্জাতিক পরিসরে যেমন আলোড়ন তৈরি হয়েছে, তেমনি বিষয়টি ঘিরে দেশে নতুন করে আলোচনা ও কৌতূহল বাড়ছে।
















