ভয় পেয়ো না চাঁদাবাজ, তোমাদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দেওয়া হবে: জামায়াত আমির
- Update Time : ০৫:০৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৩৫ Time View

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, চাঁদাবাজদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই—ইনশাআল্লাহ তাদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “ভয় পেয়ো না চাঁদাবাজ, তোমরাও এই সমাজের মানুষ। আমরা তোমাদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দেব। তখন আর সমাজে মুখ লুকিয়ে চলতে হবে না, সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারবে।”
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার এস এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কৃষকরা ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার পেছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে—মধ্যস্বত্বভোগী এবং ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি। তার ভাষায়, “এই দুই সমস্যার কারণেই কৃষকের ঘাম ঝরে, কিন্তু ন্যায্য দাম পায় না। আমরা সব ধরনের চাঁদাবাজি নির্মূল করবো।”
বাংলাদেশে কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চান না উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা বিশ্বের সব সভ্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই, প্রতিবেশীদেরও প্রতিবেশী হিসেবেই দেখতে চাই। আমরা কারও ওপর খবরদারি করতে চাই না, আবার কেউ এসে বাংলাদেশের ওপর খবরদারি করুক—সেটাও আমরা মেনে নেব না।”
তিনি আরও বলেন, “৫৪ বছর ধরে যে শাসনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক বন্দোবস্ত দেশকে ফ্যাসিবাদ উপহার দিয়েছে, সেই ব্যবস্থা আমরা আর দেখতে চাই না। আমরা চাই এর আমূল পরিবর্তন।”
গণভোট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগামী ১২ তারিখ একসঙ্গে গণভোট ও সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। “আমি বলব, গণভোট সফল হলে সাধারণ নির্বাচনও সফল হবে। তাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। জুলাই শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া জরুরি,”—বলেন তিনি।
উত্তরবঙ্গের নদীগুলোর দুরবস্থার কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, “আজ উত্তরবঙ্গের নদীগুলো মরুভূমির মতো হয়ে গেছে, কঙ্কালে পরিণত হয়েছে। নদীর জীবন ফিরে এলে নর্থ বেঙ্গলের জীবনও ফিরে আসবে।” তিনি জানান, সরকার গঠন করতে পারলে তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের নদীগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে একটি বৃহৎ পরিকল্পনা নেওয়া হবে। তার লক্ষ্য উত্তরবঙ্গকে একটি কৃষিভিত্তিক রাজধানীতে রূপান্তর করা।
সমাবেশের শেষ পর্যায়ে গাইবান্ধার পাঁচটি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
















