সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসন্ন নির্বাচনে কি রাষ্ট্রক্ষমতায় পৌঁছাতে পারে জামায়াতে ইসলামী?-আল জাজিরার প্রতিবেদন 

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১২:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৭৬ Time View

আল জাজিরার প্রতিবেদন | বাংলাদেশ নির্বাচন

আসন্ন নির্বাচনে কি রাষ্ট্রক্ষমতায় পৌঁছাতে পারে জামায়াতে ইসলামী?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন মোড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন। প্রথমবারের মতো কোনো নির্বাচনী জোটের প্রধান শক্তি হিসেবে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা দেখছে দেশের বৃহত্তম ইসলামি রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী। আল জাজিরার এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে—আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনকে ঘিরে দলটি এখন তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক মুহূর্তের মুখোমুখি।

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এটিই হবে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করায় এবারের নির্বাচন কার্যত দ্বিমুখী প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনে ফ্রন্টরানার হিসেবে থাকা বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং কয়েকটি ইসলামি দলের সমন্বয়ে গঠিত একটি নতুন রাজনৈতিক জোট।

সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো জামায়াতের এই উত্থানকে আরও দৃশ্যমান করেছে। গত ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, বিএনপির জনসমর্থন যেখানে ৩৩ শতাংশ, সেখানে জামায়াত ২৯ শতাংশ নিয়ে খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে প্রকাশিত বাংলাদেশি কয়েকটি সংস্থার যৌথ জরিপে ব্যবধান আরও সংকুচিত হয়েছে—বিএনপির সমর্থন ৩৪.৭ শতাংশ এবং জামায়াতের সমর্থন ৩৩.৬ শতাংশ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত যদি এই নির্বাচনে বিজয়ী হয়, তবে সেটি হবে দলটির জন্য এক নাটকীয় প্রত্যাবর্তন। কারণ গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে দলটি রাজনৈতিক দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাদের শীর্ষ নেতাদের কেউ ফাঁসি, কেউ দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড ভোগ করেছেন।

১৯৪১ সালে সৈয়দ আবুল আলা মওদুদীর হাতে প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল—যা আজও বাংলাদেশের একটি বড় অংশের মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও বিতর্কের জন্ম দেয়। তবে বর্তমান নেতৃত্বের দাবি, গত ১৫ বছরের নিপীড়ন ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তাদের প্রতি জনসমর্থন ও সহানুভূতি বাড়িয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আল জাজিরাকে বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ গত ৫৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—এই দুই রাজনৈতিক শক্তির শাসন দেখেছে। এখন তারা একটি নতুন বিকল্প শক্তিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়।” তিনি জানান, জামায়াত নিজেকে একটি ‘মধ্যপন্থী ইসলামি রাজনৈতিক শক্তি’ হিসেবে উপস্থাপন করছে। এরই অংশ হিসেবে দলটি এবার খুলনা অঞ্চলে কৃষ্ণ নন্দী নামে একজন হিন্দু প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে—যা সংখ্যালঘু ভোটারদের আস্থা অর্জনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তবে জামায়াতের সম্ভাব্য ক্ষমতায় আসা নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগও কম নয়। সমালোচকদের আশঙ্কা, একটি ইসলামি দল ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন কার্যকর হতে পারে অথবা নারী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। যদিও জামায়াত নেতারা বারবার আশ্বাস দিয়ে বলছেন, তারা বিদ্যমান ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের কাঠামোর মধ্যেই সংস্কারমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবেন।

আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের সিনিয়র কনসালটেন্ট থমাস কিন মনে করেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে ভারতের বিজেপি সরকারের সঙ্গে জামায়াতের আদর্শিক বিরোধ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের যে উদ্যোগ শুরু হয়েছে, তা জামায়াতের জন্য কূটনৈতিকভাবে ইতিবাচক হতে পারে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

 

১0 দলের আসন সমঝোতা

জোটভিত্তিক আসন সমঝোতায় জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে জানা গেছে। দলটির সাংগঠনিক শক্তিও বর্তমানে বেশ সুসংহত। তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির সম্প্রতি দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যাম্পাসগুলোর ছাত্র সংসদ নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

জামায়াত নেতাদের দাবি অনুযায়ী, দলটির বর্তমানে প্রায় ২ কোটি সমর্থক এবং প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার নিবন্ধিত ‘রুকন’ বা সদস্য রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন শুধু একটি ভোটযুদ্ধ নয়; বরং এটি হবে জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের এক চূড়ান্ত পরীক্ষা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির রায়ই নির্ধারণ করবে—দীর্ঘদিন বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা এই দলটি তাদের সাংগঠনিক শক্তি ও ধৈর্যকে রাষ্ট্রীয় বৈধতায় রূপ দিতে পারবে কি না।

সূত্র: আল জাজিরা

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আসন্ন নির্বাচনে কি রাষ্ট্রক্ষমতায় পৌঁছাতে পারে জামায়াতে ইসলামী?-আল জাজিরার প্রতিবেদন 

Update Time : ১২:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

আল জাজিরার প্রতিবেদন | বাংলাদেশ নির্বাচন

আসন্ন নির্বাচনে কি রাষ্ট্রক্ষমতায় পৌঁছাতে পারে জামায়াতে ইসলামী?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন মোড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন। প্রথমবারের মতো কোনো নির্বাচনী জোটের প্রধান শক্তি হিসেবে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা দেখছে দেশের বৃহত্তম ইসলামি রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী। আল জাজিরার এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে—আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনকে ঘিরে দলটি এখন তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক মুহূর্তের মুখোমুখি।

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এটিই হবে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করায় এবারের নির্বাচন কার্যত দ্বিমুখী প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনে ফ্রন্টরানার হিসেবে থাকা বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং কয়েকটি ইসলামি দলের সমন্বয়ে গঠিত একটি নতুন রাজনৈতিক জোট।

সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো জামায়াতের এই উত্থানকে আরও দৃশ্যমান করেছে। গত ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, বিএনপির জনসমর্থন যেখানে ৩৩ শতাংশ, সেখানে জামায়াত ২৯ শতাংশ নিয়ে খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে প্রকাশিত বাংলাদেশি কয়েকটি সংস্থার যৌথ জরিপে ব্যবধান আরও সংকুচিত হয়েছে—বিএনপির সমর্থন ৩৪.৭ শতাংশ এবং জামায়াতের সমর্থন ৩৩.৬ শতাংশ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত যদি এই নির্বাচনে বিজয়ী হয়, তবে সেটি হবে দলটির জন্য এক নাটকীয় প্রত্যাবর্তন। কারণ গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে দলটি রাজনৈতিক দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাদের শীর্ষ নেতাদের কেউ ফাঁসি, কেউ দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড ভোগ করেছেন।

১৯৪১ সালে সৈয়দ আবুল আলা মওদুদীর হাতে প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল—যা আজও বাংলাদেশের একটি বড় অংশের মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও বিতর্কের জন্ম দেয়। তবে বর্তমান নেতৃত্বের দাবি, গত ১৫ বছরের নিপীড়ন ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তাদের প্রতি জনসমর্থন ও সহানুভূতি বাড়িয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আল জাজিরাকে বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ গত ৫৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—এই দুই রাজনৈতিক শক্তির শাসন দেখেছে। এখন তারা একটি নতুন বিকল্প শক্তিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়।” তিনি জানান, জামায়াত নিজেকে একটি ‘মধ্যপন্থী ইসলামি রাজনৈতিক শক্তি’ হিসেবে উপস্থাপন করছে। এরই অংশ হিসেবে দলটি এবার খুলনা অঞ্চলে কৃষ্ণ নন্দী নামে একজন হিন্দু প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে—যা সংখ্যালঘু ভোটারদের আস্থা অর্জনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তবে জামায়াতের সম্ভাব্য ক্ষমতায় আসা নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগও কম নয়। সমালোচকদের আশঙ্কা, একটি ইসলামি দল ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন কার্যকর হতে পারে অথবা নারী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। যদিও জামায়াত নেতারা বারবার আশ্বাস দিয়ে বলছেন, তারা বিদ্যমান ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের কাঠামোর মধ্যেই সংস্কারমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবেন।

আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের সিনিয়র কনসালটেন্ট থমাস কিন মনে করেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে ভারতের বিজেপি সরকারের সঙ্গে জামায়াতের আদর্শিক বিরোধ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের যে উদ্যোগ শুরু হয়েছে, তা জামায়াতের জন্য কূটনৈতিকভাবে ইতিবাচক হতে পারে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

 

১0 দলের আসন সমঝোতা

জোটভিত্তিক আসন সমঝোতায় জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে জানা গেছে। দলটির সাংগঠনিক শক্তিও বর্তমানে বেশ সুসংহত। তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির সম্প্রতি দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যাম্পাসগুলোর ছাত্র সংসদ নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

জামায়াত নেতাদের দাবি অনুযায়ী, দলটির বর্তমানে প্রায় ২ কোটি সমর্থক এবং প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার নিবন্ধিত ‘রুকন’ বা সদস্য রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন শুধু একটি ভোটযুদ্ধ নয়; বরং এটি হবে জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের এক চূড়ান্ত পরীক্ষা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির রায়ই নির্ধারণ করবে—দীর্ঘদিন বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা এই দলটি তাদের সাংগঠনিক শক্তি ও ধৈর্যকে রাষ্ট্রীয় বৈধতায় রূপ দিতে পারবে কি না।

সূত্র: আল জাজিরা