সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট স্থগিত, ঢাকা বিমানবন্দরে আটকা পড়লেন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১১:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৪৯ Time View

 

ইরানে ইসরায়েল-এর হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ কয়েকশ যাত্রী আটকা পড়েছেন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে একের পর এক ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা আসার পর চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন সৌদি আরব, কাতার ও কুয়েতগামী প্রবাসী কর্মীরা। বিশেষ করে যাদের ১ মার্চ থেকে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল, তারা বর্তমান পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

সন্ধ্যা ও রাতের ফ্লাইট ধরতে দুপুরের আগেই বিমানবন্দরে পৌঁছান বহু যাত্রী। কিন্তু ফ্লাইট বাতিলের সিদ্ধান্তের পর তাদের আর চেক-ইন করতে দেওয়া হয়নি। ফলে বহির্গমন টার্মিনাল ও আশপাশ এলাকায় যাত্রী ও স্বজনদের উপচে পড়া ভিড় তৈরি হয়। জেদ্দাগামীসহ বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা জানান, কর্মস্থলে যোগদানের নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে আসায় তারা মারাত্মক উদ্বেগে রয়েছেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের একাধিক ফ্লাইট স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে না আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্ব সংক্রান্ত তথ্য যাত্রীদের এসএমএস, ই-মেইল কিংবা কল সেন্টারের মাধ্যমে আগেভাগে জানাতে বলা হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা কবে নাগাদ পুরোপুরি সচল হবে, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।

এদিকে পরিস্থিতি পরিদর্শনে বিমানবন্দরে যান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা)। তিনি টার্মিনালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং আটকে পড়া যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীরা যাতে দুশ্চিন্তায় না থাকেন, সে জন্য সরাসরি তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। যাত্রীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং লাগেজ ফেরত পেতে যেন কোনো জটিলতা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট স্থগিত, ঢাকা বিমানবন্দরে আটকা পড়লেন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা

Update Time : ১১:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

ইরানে ইসরায়েল-এর হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ কয়েকশ যাত্রী আটকা পড়েছেন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে একের পর এক ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা আসার পর চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন সৌদি আরব, কাতার ও কুয়েতগামী প্রবাসী কর্মীরা। বিশেষ করে যাদের ১ মার্চ থেকে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল, তারা বর্তমান পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

সন্ধ্যা ও রাতের ফ্লাইট ধরতে দুপুরের আগেই বিমানবন্দরে পৌঁছান বহু যাত্রী। কিন্তু ফ্লাইট বাতিলের সিদ্ধান্তের পর তাদের আর চেক-ইন করতে দেওয়া হয়নি। ফলে বহির্গমন টার্মিনাল ও আশপাশ এলাকায় যাত্রী ও স্বজনদের উপচে পড়া ভিড় তৈরি হয়। জেদ্দাগামীসহ বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা জানান, কর্মস্থলে যোগদানের নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে আসায় তারা মারাত্মক উদ্বেগে রয়েছেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের একাধিক ফ্লাইট স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে না আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্ব সংক্রান্ত তথ্য যাত্রীদের এসএমএস, ই-মেইল কিংবা কল সেন্টারের মাধ্যমে আগেভাগে জানাতে বলা হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা কবে নাগাদ পুরোপুরি সচল হবে, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।

এদিকে পরিস্থিতি পরিদর্শনে বিমানবন্দরে যান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা)। তিনি টার্মিনালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং আটকে পড়া যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীরা যাতে দুশ্চিন্তায় না থাকেন, সে জন্য সরাসরি তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। যাত্রীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং লাগেজ ফেরত পেতে যেন কোনো জটিলতা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।