সময়: রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেসরকারি মেডিকেল–ডেন্টাল কলেজে ভর্তি আবেদন শুরু, শেষ ১ মার্চ

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১১:২০:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১২২ Time View

 

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া শুরু হয়, যা চলবে আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত। আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে ২ মার্চ পর্যন্ত।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন মাতুব্বর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) প্রণীত ‘২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তির জাতীয় নীতিমালা’ অনুযায়ী অনুমোদিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ ও ইউনিটে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়া টেলিটকের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই কেবল এ অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। আবেদন ফরম পূরণের সময় নির্দেশনাগুলো ভালোভাবে পড়ে সতর্কতার সঙ্গে তথ্য দিতে হবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০০ টাকা, যা শুধুমাত্র প্রি-পেইড টেলিটক সিমের মাধ্যমে পরিশোধযোগ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফিই প্রযোজ্য হবে। কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। ভর্তি ও অন্যান্য সব ধরনের ফি ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে লেনদেন বাধ্যতামূলক।

অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ, ভর্তি সংক্রান্ত নিয়মাবলি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং টেলিটকের নিজ নিজ ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

এছাড়া আবেদন যাচাই, কলেজ বা ইউনিট নির্ধারণ এবং চূড়ান্ত ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। কোনো নির্বাচিত প্রার্থীর তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ প্রমাণিত হলে তার আবেদন কিংবা ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে। এ বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বেসরকারি মেডিকেল–ডেন্টাল কলেজে ভর্তি আবেদন শুরু, শেষ ১ মার্চ

Update Time : ১১:২০:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া শুরু হয়, যা চলবে আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত। আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে ২ মার্চ পর্যন্ত।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন মাতুব্বর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) প্রণীত ‘২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তির জাতীয় নীতিমালা’ অনুযায়ী অনুমোদিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ ও ইউনিটে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়া টেলিটকের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই কেবল এ অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। আবেদন ফরম পূরণের সময় নির্দেশনাগুলো ভালোভাবে পড়ে সতর্কতার সঙ্গে তথ্য দিতে হবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০০ টাকা, যা শুধুমাত্র প্রি-পেইড টেলিটক সিমের মাধ্যমে পরিশোধযোগ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফিই প্রযোজ্য হবে। কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। ভর্তি ও অন্যান্য সব ধরনের ফি ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে লেনদেন বাধ্যতামূলক।

অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ, ভর্তি সংক্রান্ত নিয়মাবলি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং টেলিটকের নিজ নিজ ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

এছাড়া আবেদন যাচাই, কলেজ বা ইউনিট নির্ধারণ এবং চূড়ান্ত ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। কোনো নির্বাচিত প্রার্থীর তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ প্রমাণিত হলে তার আবেদন কিংবা ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে। এ বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।