গোপনে বাংলাদেশ ছাড়লেন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৯ ভারতীয় কর্মকর্তা
- Update Time : ১০:২২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৩৫ Time View

বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত বাংলাদেশ–ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৯ জন ভারতীয় কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই গোপনে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন। এ ঘটনায় বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে ডাইনিং টেবিলে ওই কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করে তাদের খোঁজ নেওয়া হয়। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, কাউকে কিছু না জানিয়ে তারা বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকা ত্যাগ করেছেন। পরবর্তীতে দুপুরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তাদের ভারতে প্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
ঘটনাটি প্রকল্প পরিচালক রামানাথ পুজারীকে জানানো হলে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় ভারতীয় কর্মকর্তারা নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন বলে জানান।
সংশ্লিষ্টরা জানান, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসারসহ চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। এর আগে ওই কর্মকর্তারা নিরাপত্তা নিয়ে কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ করেননি। ফলে কোনো পূর্বঘোষণা বা স্পষ্ট কারণ ছাড়াই তাদের হঠাৎ দেশত্যাগকে রহস্যজনক হিসেবে দেখছেন কর্তৃপক্ষ।
যেসব ভারতীয় কর্মকর্তা বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন তারা হলেন— জিএম সিউজ প্রতীক বর্মন, জিএম বিশ্বজিৎ মন্ডল, জিএম এন সূর্যপ্রকাশ রায়, এজিএম কেসাবা পলাকী, ডিজিএম সূর্যকান্ত মন্দেকার, ডিজিএম সুরেন্দ্র লম্বা, এজিএম পাপ্পু লাল মিনা, ডিজিএম অর্নিবাণ সাহা এবং সিএফও ইমানুয়েল পনরাজ দেবরাজ। তারা সবাই ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) থেকে প্রেষণে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম জানান, শনিবার সকালে ডাইনিংয়ে ভারতীয় কর্মকর্তাদের না পেয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারা অনুমতি ছাড়াই ভারতে চলে গেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং কী কারণে তারা এভাবে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।















