কামালকে দিয়েই শুরু হবে প্রত্যর্পণ: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব
- Update Time : ১১:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
- / ১১৪ Time View

কামালকে দিয়েই শুরু হবে প্রত্যর্পণ: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব
জুলাই গণহত্যার মামলায় দণ্ডিতদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বিচার দাবিতে ভারতের নজর
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, জুলাই মাসের গণহত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত বাংলাদেশের অনুরোধ বর্তমানে ভারত সরকার খতিয়ে দেখছে। তবে এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে বাংলাদেশ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামি আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়ে শুরু করবে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের দায়িত্বের প্রশ্ন
স্ট্যাটাসে শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, জুলাইয়ের ঘটনাবলির অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব একদিন বাংলাদেশের আদালতের মুখোমুখি হবেন।
তিনি আরও বলেন, আসাদুজ্জামান খান কামাল—যিনি ঢাকার ‘কসাই’ হিসেবে পরিচিত—খুব শিগগিরই বিচার মুখোমুখি হবেন এবং তার প্রত্যর্পণ এই প্রক্রিয়ার সূচনাপথ হবে। শফিকুল আলমের ভাষ্য অনুযায়ী, কামালের ভূমিকা এবং জুলাই গণহত্যা ও গুমের ঘটনায় তার অবদান আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নজর কাড়বে।
মানবাধিকার ও বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান
প্রেস সচিব বলেন, “হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের তথ্য যত দিন যাচ্ছে, ততই প্রকাশ পাচ্ছে।” তিনি যোগ করেন, কামাল বা অন্য আওয়ামী লীগ নেতারা যত অর্থ ব্যয় করুক না কেন, দায় এড়ানো চিরদিন সম্ভব হবে না।
তিনি আরও বলেন, “জাতি হিসেবে যদি আমরা জুলাই গণহত্যার শিকারদের জন্য এবং হাসিনা আমলে সংঘটিত সকল মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার নিশ্চিত করতে দৃঢ় ও মনোনিবেশ থাকতে পারি, তবে দায়ীদের জন্য পরিণতি এড়ানো দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠবে।”
প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়ার ধাপ
শফিকুল আলম ইঙ্গিত দিয়েছেন, বাংলাদেশের জন্য প্রথমে কামালকে প্রত্যর্পণ করা হবে এবং এরপর ধাপে ধাপে অন্যান্য অভিযুক্তদেরও দেশের আদালতের সামনে আনা হবে। তিনি মনে করান, এটি কেবল এক ব্যক্তির নয়, বরং জুলাই মাসের গণহত্যা ও অন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিকভাবে ও ন্যায়সঙ্গতভাবে প্রতিকার নিশ্চিত করার এক প্রক্রিয়া।















