সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঋণখেলাপির দায়ে নিলামে জনকণ্ঠ ভবন, সমালোচনার ঝড়

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১২:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৯৭ Time View

 

ঋণখেলাপির দায়ে নিলামে উঠছে দৈনিক Janakantha-এর ভবন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ইনসেকটিসাইডস লিমিটেডের নামে ২১৫ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে। এই বিপুল ঋণ অনাদায়ী থাকায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ভবনটি নিলামে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

সাংবাদিক সংকর মিত্র তার ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন, পত্রিকার নাম ও প্রভাব ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়া হলেও সেই অর্থ সংবাদপত্রের উন্নয়নে ব্যয় করা হয়নি। বরং মালিকপক্ষ অন্য ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছে, অথচ সাংবাদিক ও কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন-ভাতা প্রদান করা হয়নি।

 

তিনি আরও দাবি করেন, ৫ আগস্টের পর প্রতিষ্ঠানটিতে দখল ও পাল্টা দখলের ঘটনা ঘটে, যার ফলে পরিচালনায় অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে যায় এবং সাংবাদিক-কর্মচারীদের বিপুল পরিমাণ বেতন বকেয়া থেকে যায়।

সমালোচকরা বলছেন, ব্যাংকের ঋণের অর্থ দিয়ে মালিকদের বিলাসী জীবনযাপন, অর্থ পাচার এবং মিডিয়াকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ নতুন নয়। এই ঘটনায় আবারও সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে—সাংবাদিকরা আর কতদিন এমন ব্যবস্থার শিকার হবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট আরও বাড়তে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ঋণখেলাপির দায়ে নিলামে জনকণ্ঠ ভবন, সমালোচনার ঝড়

Update Time : ১২:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

 

ঋণখেলাপির দায়ে নিলামে উঠছে দৈনিক Janakantha-এর ভবন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ইনসেকটিসাইডস লিমিটেডের নামে ২১৫ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে। এই বিপুল ঋণ অনাদায়ী থাকায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ভবনটি নিলামে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

সাংবাদিক সংকর মিত্র তার ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন, পত্রিকার নাম ও প্রভাব ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়া হলেও সেই অর্থ সংবাদপত্রের উন্নয়নে ব্যয় করা হয়নি। বরং মালিকপক্ষ অন্য ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছে, অথচ সাংবাদিক ও কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন-ভাতা প্রদান করা হয়নি।

 

তিনি আরও দাবি করেন, ৫ আগস্টের পর প্রতিষ্ঠানটিতে দখল ও পাল্টা দখলের ঘটনা ঘটে, যার ফলে পরিচালনায় অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত বন্ধ হয়ে যায় এবং সাংবাদিক-কর্মচারীদের বিপুল পরিমাণ বেতন বকেয়া থেকে যায়।

সমালোচকরা বলছেন, ব্যাংকের ঋণের অর্থ দিয়ে মালিকদের বিলাসী জীবনযাপন, অর্থ পাচার এবং মিডিয়াকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ নতুন নয়। এই ঘটনায় আবারও সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে—সাংবাদিকরা আর কতদিন এমন ব্যবস্থার শিকার হবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট আরও বাড়তে পারে।