বাড়ছে যানবাহনের ভাড়া ও দ্রব্যমূল্য: ডা. জাহেদ উর রহমান
- Update Time : ০৫:৩৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৩৯ Time View

জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পরিবহন ভাড়া সমন্বয়ের আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সমন্বয়টি যৌক্তিক ও সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে। এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে সরকারি কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব শুধু বাসে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং ট্রাকভাড়া বৃদ্ধির মাধ্যমে সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয়ে বড় প্রভাব পড়বে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের দায়িত্ব কেবল ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা নয়, বরং ব্যবসায়ীদের স্বার্থও বিবেচনায় রাখা।
তিনি আরও বলেন, বাস ও ট্রাকচালকরাও এ দেশের নাগরিক। সরকার সবার জন্য কাজ করে—কোনো এক পক্ষের জন্য নয়। তাই এমন একটি ভারসাম্য তৈরি করতে হবে, যাতে সবার ক্ষতি কম হয়। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কিছুটা কষ্ট সবারই ভাগ্যে আসছে—এটি বাস্তবতা।
জ্বালানির মজুত ও সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের সংকট নেই জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন জাহাজে জ্বালানি আসছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাহিদা ও আতঙ্কজনিত ক্রয় (প্যানিক বায়িং) পরিস্থিতিকে জটিল করছে। কোথাও কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি বিক্রির ঘটনাও ঘটছে, যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি জানান, সার্বিকভাবে জ্বালানি সরবরাহে প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে, যা একটি বৈশ্বিক প্রবণতার অংশ। তবে চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় অনেক পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে।
ডা. জাহেদ বলেন, দেশে একটি প্রবণতা দেখা যায়—জ্বালানির দাম বাড়লেই ভাড়া ও দ্রব্যমূল্য প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বেড়ে যায়। সরকার এ ধরনের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
সবশেষে তিনি বলেন, মূল্যবৃদ্ধির চাপ সবার ওপর সমানভাবে পড়ে না। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সামান্য মূল্যবৃদ্ধিও বড় সংকট তৈরি করতে পারে। প্রয়োজনে এ শ্রেণির মানুষের জন্য সরকার বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি জোরদার করবে।













