সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরসিংদী, মেথিকান্দা ও রায়পুরা স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ বন্ধের দাবি

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০৭ Time View

বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহন ব্যবস্থা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে কিছু নির্দিষ্ট রুটে যাত্রীদের দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতা চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে নরসিংদী জেলা ও এর অন্তর্ভুক্ত রায়পুরা ও মেথিকান্দা স্টেশনকে কেন্দ্র করে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে যে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠছে, তা এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—বরং এটি একটি নিয়মিত সমস্যায় পরিণত হয়েছে। ফলে দেশের পূর্বাঞ্চলের হাজার হাজার নিয়মিত যাত্রী আজ চরম ভোগান্তি ও আতঙ্কের মধ্যে ভ্রমণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, নরসিংদী অঞ্চলের কিছু যাত্রী নিয়মিতভাবে বিনা টিকিটে ট্রেনে উঠে পড়েন এবং শুধু সাধারণ বগি নয়, সরাসরি এসি বগিতেও প্রবেশ করে আসন দখল করে বসে থাকেন। যেসব যাত্রী বৈধ টিকিট কেটে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য ট্রেনে উঠেন, তারা অনেক সময় নিজেদের নির্ধারিত আসনেও বসতে পারেন না। এমনকি কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে ভয়ভীতি দেখানো, অশালীন আচরণ কিংবা মারধরের হুমকিও দেওয়া হয়। এতে করে ট্রেনযাত্রা নিরাপদ তো নয়ই, বরং একটি ঝুঁকিপূর্ণ অভিজ্ঞতায় পরিণত হচ্ছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সমন্বয়হীনতা ও অবহেলা পরিস্থিতি জটিল করে তোলে। তদন্তে অন্তত আটজন রেলকর্মীর গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে খালাসি মোশাররফ হোসেনকে চট্টলা এক্সপ্রেসে আর দায়িত্ব না দেওয়া, দুই আরএনবি সদস্যকে ভবিষ্যতে চলন্ত ট্রেনে দায়িত্ব না দেওয়া এবং চারজন টিটিইর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। অনুপস্থিত টিটিই তানজিম ফরাজীকে বদলিরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

কমিটি আরও উল্লেখ করেছে, নরসিংদী ও মেথিকান্দা স্টেশনে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। তাই এসব স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বাতিলের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সুশীল সমাজ, স্থানীয় প্রশাসন ও রেল কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সমন্বয়হীনতা ও অবহেলা পরিস্থিতি জটিল করে তোলে। তদন্তে অন্তত আটজন রেলকর্মীর গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে খালাসি মোশাররফ হোসেনকে চট্টলা এক্সপ্রেসে আর দায়িত্ব না দেওয়া, দুই আরএনবি সদস্যকে ভবিষ্যতে চলন্ত ট্রেনে দায়িত্ব না দেওয়া এবং চারজন টিটিইর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। অনুপস্থিত টিটিই তানজিম ফরাজীকে বদলিরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
কমিটি আরও উল্লেখ করেছে, নরসিংদী ও মেথিকান্দা স্টেশনে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। তাই এসব স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বাতিলের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সুশীল সমাজ, স্থানীয় প্রশাসন ও রেল কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি নোয়াখালীগামী ৭১২ উপকূল এক্সপ্রেসে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা এই সমস্যার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে। এক যাত্রী ঢাকা থেকে বৈধ টিকিট কেটে এসি বগিতে উঠার পর নরসিংদীর এক বিনা টিকিটের যাত্রী তাকে সিট ছেড়ে দিতে বলে এবং দাঁড়িয়ে থাকার অজুহাতে তাকে ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ারও নির্দেশ দেয়। একইভাবে অন্য এক যাত্রীকেও হুমকি দেওয়া হয় এবং তার সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের ঘটনা এখন নিয়মিত ঘটছে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—রেলওয়ের তদারকি কোথায়? টিকিট ছাড়া যাত্রীরা কীভাবে বারবার এসি বগিতে প্রবেশ করে? ট্রেনের গার্ড, টিটিই বা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কি এ বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন? নাকি কোনো অদৃশ্য প্রভাব বা দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে এই অনিয়মগুলো দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারছে?

নরসিংদী, রায়পুরা ও মেথিকান্দা স্টেশনকে কেন্দ্র করে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি প্রকট হওয়ায় এখন অনেক যাত্রী দাবি তুলেছেন—এই তিনটি স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হোক। যদিও এই দাবি কঠোর ও বিতর্কিত, তবুও যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল ভ্রমণের স্বার্থে এটি একটি বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

তবে বাস্তবতা হলো, কোনো জেলার সকল যাত্রীকে দায়ী করে সম্পূর্ণ ট্রেন বন্ধ করে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে সমাধান নয়। বরং প্রয়োজন কার্যকর নজরদারি, কঠোর টিকিট যাচাই ব্যবস্থা, এবং ট্রেনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রতিটি স্টেশনে চেকিং জোরদার করা, টিকিটবিহীন যাত্রীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ, এবং যাত্রীদের অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা চালু করা জরুরি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের উচিত আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো—যেমন ই-টিকিট যাচাই, সিসিটিভি নজরদারি, এবং অনলাইন অভিযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। একইসাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে, যাতে ট্রেনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যায়।

সবশেষে বলতে হয়, ট্রেনযাত্রা কোনো আতঙ্কের নাম হতে পারে না। এটি একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক পরিবহন মাধ্যম হওয়া উচিত। তাই নরসিংদীসহ দেশের সব রুটে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে—নইলে সাধারণ মানুষের আস্থা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে, যা একটি রাষ্ট্রের জন্য কখনোই কাম্য নয়।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নরসিংদী, মেথিকান্দা ও রায়পুরা স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ বন্ধের দাবি

Update Time : ০৯:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহন ব্যবস্থা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে কিছু নির্দিষ্ট রুটে যাত্রীদের দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতা চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে নরসিংদী জেলা ও এর অন্তর্ভুক্ত রায়পুরা ও মেথিকান্দা স্টেশনকে কেন্দ্র করে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে যে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠছে, তা এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—বরং এটি একটি নিয়মিত সমস্যায় পরিণত হয়েছে। ফলে দেশের পূর্বাঞ্চলের হাজার হাজার নিয়মিত যাত্রী আজ চরম ভোগান্তি ও আতঙ্কের মধ্যে ভ্রমণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, নরসিংদী অঞ্চলের কিছু যাত্রী নিয়মিতভাবে বিনা টিকিটে ট্রেনে উঠে পড়েন এবং শুধু সাধারণ বগি নয়, সরাসরি এসি বগিতেও প্রবেশ করে আসন দখল করে বসে থাকেন। যেসব যাত্রী বৈধ টিকিট কেটে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য ট্রেনে উঠেন, তারা অনেক সময় নিজেদের নির্ধারিত আসনেও বসতে পারেন না। এমনকি কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে ভয়ভীতি দেখানো, অশালীন আচরণ কিংবা মারধরের হুমকিও দেওয়া হয়। এতে করে ট্রেনযাত্রা নিরাপদ তো নয়ই, বরং একটি ঝুঁকিপূর্ণ অভিজ্ঞতায় পরিণত হচ্ছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সমন্বয়হীনতা ও অবহেলা পরিস্থিতি জটিল করে তোলে। তদন্তে অন্তত আটজন রেলকর্মীর গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে খালাসি মোশাররফ হোসেনকে চট্টলা এক্সপ্রেসে আর দায়িত্ব না দেওয়া, দুই আরএনবি সদস্যকে ভবিষ্যতে চলন্ত ট্রেনে দায়িত্ব না দেওয়া এবং চারজন টিটিইর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। অনুপস্থিত টিটিই তানজিম ফরাজীকে বদলিরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

কমিটি আরও উল্লেখ করেছে, নরসিংদী ও মেথিকান্দা স্টেশনে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। তাই এসব স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বাতিলের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সুশীল সমাজ, স্থানীয় প্রশাসন ও রেল কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সমন্বয়হীনতা ও অবহেলা পরিস্থিতি জটিল করে তোলে। তদন্তে অন্তত আটজন রেলকর্মীর গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে খালাসি মোশাররফ হোসেনকে চট্টলা এক্সপ্রেসে আর দায়িত্ব না দেওয়া, দুই আরএনবি সদস্যকে ভবিষ্যতে চলন্ত ট্রেনে দায়িত্ব না দেওয়া এবং চারজন টিটিইর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। অনুপস্থিত টিটিই তানজিম ফরাজীকে বদলিরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
কমিটি আরও উল্লেখ করেছে, নরসিংদী ও মেথিকান্দা স্টেশনে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। তাই এসব স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বাতিলের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সুশীল সমাজ, স্থানীয় প্রশাসন ও রেল কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি নোয়াখালীগামী ৭১২ উপকূল এক্সপ্রেসে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা এই সমস্যার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে। এক যাত্রী ঢাকা থেকে বৈধ টিকিট কেটে এসি বগিতে উঠার পর নরসিংদীর এক বিনা টিকিটের যাত্রী তাকে সিট ছেড়ে দিতে বলে এবং দাঁড়িয়ে থাকার অজুহাতে তাকে ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ারও নির্দেশ দেয়। একইভাবে অন্য এক যাত্রীকেও হুমকি দেওয়া হয় এবং তার সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের ঘটনা এখন নিয়মিত ঘটছে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—রেলওয়ের তদারকি কোথায়? টিকিট ছাড়া যাত্রীরা কীভাবে বারবার এসি বগিতে প্রবেশ করে? ট্রেনের গার্ড, টিটিই বা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কি এ বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন? নাকি কোনো অদৃশ্য প্রভাব বা দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে এই অনিয়মগুলো দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারছে?

নরসিংদী, রায়পুরা ও মেথিকান্দা স্টেশনকে কেন্দ্র করে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি প্রকট হওয়ায় এখন অনেক যাত্রী দাবি তুলেছেন—এই তিনটি স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হোক। যদিও এই দাবি কঠোর ও বিতর্কিত, তবুও যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল ভ্রমণের স্বার্থে এটি একটি বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

তবে বাস্তবতা হলো, কোনো জেলার সকল যাত্রীকে দায়ী করে সম্পূর্ণ ট্রেন বন্ধ করে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে সমাধান নয়। বরং প্রয়োজন কার্যকর নজরদারি, কঠোর টিকিট যাচাই ব্যবস্থা, এবং ট্রেনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রতিটি স্টেশনে চেকিং জোরদার করা, টিকিটবিহীন যাত্রীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ, এবং যাত্রীদের অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা চালু করা জরুরি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের উচিত আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো—যেমন ই-টিকিট যাচাই, সিসিটিভি নজরদারি, এবং অনলাইন অভিযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। একইসাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে, যাতে ট্রেনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যায়।

সবশেষে বলতে হয়, ট্রেনযাত্রা কোনো আতঙ্কের নাম হতে পারে না। এটি একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক পরিবহন মাধ্যম হওয়া উচিত। তাই নরসিংদীসহ দেশের সব রুটে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে—নইলে সাধারণ মানুষের আস্থা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে, যা একটি রাষ্ট্রের জন্য কখনোই কাম্য নয়।