পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য : প্রধানমন্ত্রী
- Update Time : ১১:৩১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১৫৭ Time View

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন অনেকটাই বোধগম্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বাংলাদেশ রাইফেলস-এর সদর দপ্তর পিলখানায় ভয়াবহ সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল।” তিনি উল্লেখ করেন, ওই ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন।
বাণীতে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে তার মতে, এ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা ছিল—এ বিষয়টি নাগরিকদের উপলব্ধিতে থাকা প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে যেন কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ই হোক জাতীয় শহীদ সেনা দিবসের অঙ্গীকার।













