সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ভুখা মিছিল, যমুনা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০২:৫১:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৩২ Time View

 

নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের ‘ভুখা মিছিল’ ঘিরে রাজধানীতে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন যমুনা এলাকায় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সকাল থেকেই থালা-বাটি হাতে নিয়ে সরকারি কর্মচারীরা যমুনার সামনে অবস্থান নেন। তাদের দাবি ছিল—নবম পে-স্কেলের গেজেট অবিলম্বে প্রকাশ করে কার্যকর করতে হবে। তবে অবস্থান শুরুর প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যেই পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে। এতে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।

কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা সংগঠিত হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে যমুনাগামী সড়কে এই সংঘর্ষ থেমে থেমে চলতে থাকে। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এবং ১৪৪ ধারা জারির ঘোষণা দেন।

এদিকে নিরাপত্তা জোরদারে যমুনা সংলগ্ন কাকরাইল মসজিদ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ভুখা মিছিল, যমুনা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

Update Time : ০২:৫১:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের ‘ভুখা মিছিল’ ঘিরে রাজধানীতে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন যমুনা এলাকায় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সকাল থেকেই থালা-বাটি হাতে নিয়ে সরকারি কর্মচারীরা যমুনার সামনে অবস্থান নেন। তাদের দাবি ছিল—নবম পে-স্কেলের গেজেট অবিলম্বে প্রকাশ করে কার্যকর করতে হবে। তবে অবস্থান শুরুর প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যেই পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে। এতে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।

কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা সংগঠিত হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে যমুনাগামী সড়কে এই সংঘর্ষ থেমে থেমে চলতে থাকে। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এবং ১৪৪ ধারা জারির ঘোষণা দেন।

এদিকে নিরাপত্তা জোরদারে যমুনা সংলগ্ন কাকরাইল মসজিদ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।